‘অন্যায়, অবিচারের বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার ছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার’ | চ্যানেল আই অনলাইন

‘অন্যায়, অবিচারের বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার ছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার’ | চ্যানেল আই অনলাইন

বরেণ্য চারুশিল্পী ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক, কিংবদন্তী শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার এর প্রয়াণে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শিল্পকলা জানায়, কিংবদন্তী শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার ৮০ র দশকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন)।

তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে মহাপরিচালক বলেন, “মুস্তাফা মনোয়ার আমাদের শ্রদ্ধেয় চিত্রশিল্পী। দীর্ঘদিন থেকে তাঁর সঙ্গে আমার সখ্য ছিল। তিনি আমাদের সংস্কৃতির এক পুরোধা ব্যক্তিত্ব। এদেশের নান্দনিক সংস্কৃতির সঙ্গে তাঁর যে যুক্ততা এবং অবদান সেটি অবিস্মরণীয়।”

এসময় তিনি আরো বলেন,“বাংলাদেশ টেলিভিশন থেকে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান সব জায়গায় তাঁর পদচারণা ছিল এবং তিনি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ছিলেন। তাঁর প্রয়াণে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি পরিবার গভীরভাবে শোকাহত।”

শিল্পকলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালকের প্রয়াণে বর্তমান মহাপরিচালক আরো বলেন,“মুস্তাফা মনোয়ার অনেক অনুকারক তৈরি করেছেন, অনেক অনুসারী তৈরি করেছেন এবং এদেশে যে আমাদের পাপেট শো এর মূল কারিগর, মূল শিল্পী হচ্ছেন মুস্তাফা মনোয়ার। তিনি শিক্ষনীয় অনেক পাপেট তৈরি করে আমাদের জাতিকে উদ্বুদ্ধ করেছেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে, অবিচারের বিরুদ্ধে সবসময় তিনি সোচ্চার ছিলেন।”

প্রসঙ্গত, শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার ১১-০৩-১৯৮৬ থেকে ১৯-০৪-১৯৮৭ পর্যন্ত বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। ‘বাংলাদেশের পাপেটম্যান’ হিসেবেও খ্যাত ছিলেন বরেণ্য এই শিল্পী। শিল্পকলায় অবদানের জন্য শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারকে ২০০৪ সালে ‘একুশে পদক’ দেওয়া হয়। এ ছাড়া নানান সম্মাননায় ভূষিত ছিলেন তিনি।