পরে ট্রাইব্যুনাল বলেন, তামীম (প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম), আপনি আসেন। কোথায় ভার্চ্যুয়ালের কথা বলা আছে?
আসামি জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে না আনার প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম বলেন, জিয়াউল আহসানকে একাই একটি গাড়িতে আনা-নেওয়া করা হতো। একা গাড়িতে আনা-নেওয়া করায় জীবননাশের আশঙ্কা করে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেন জিয়াউল। তাঁর আবেদন ছিল, অন্য আসামিদের সঙ্গে যেন তাঁকে আনা-নেওয়া করা হয়।
প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার বলেন, জিয়াউল নিরাপত্তাহীনতার যে কথা বলেছেন, সেটার সঙ্গে প্রসিকিউশন একমত। পাশাপাশি প্রসিকিউশন আবেদন করেছে, অন্য সব আসামির সঙ্গে জিয়াউলকে আনা-নেওয়া করলে অন্যরাও আক্রান্ত হতে পারেন। উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর জিয়াউলকে কারাগার থেকে ভার্চ্যুয়ালি বিচারকাজে অংশ নেওয়ার আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। এই আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে জিয়াউলকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়নি।




