প্রথমে যোগ করা সময় ১০ মিনিট দেওয়া হলেও গোল ও সময় নষ্টের কারণে সেটি বাড়তে শুরু করে। যোগ করা সময়ের ১৩তম মিনিটে বল জালে জড়ান ইয়োস্কা গাভার্দিওল। স্কোরলাইন ২–২। ক্রোয়েশিয়ান খেলোয়াড়েরা মেতে ওঠেন উল্লাসে, পর্তুগাল বেঞ্চে নেমে আসে হতাশা।
তবে কিছুক্ষণ পরই রেফারি ছুটে যান মাঠের পাশে রাখা মনিটরে। সেখানে সময় নিয়ে ভিএআর পর্যালোচনা দেখা যায়, আক্রমণের শুরুতে পাসালিচ অফসাইডে ছিলেন। রেফারি দেন গোল বাতিলের ঘোষণা, ভেঙে যায় ক্রোয়েশিয়ার স্বপ্ন।
এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে গ্যালারি থেকে বোতল ছোড়েন ক্রোয়েশিয়ার সমর্থকেরা। কিছু সময় খেলা বন্ধ থাকার পর শেষ বাঁশি বাজান রেফারি।
শেষ বাঁশির সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় পর্তুগালের উল্লাস, আর শেষ হয়ে যায় মদরিচের আরেকটি বিশ্বকাপ–স্বপ্ন। আর রোনালদো?
বহু প্রতীক্ষার পর নকআউটে প্রথম গোলের স্বাদ নিয়ে তিনি এখন দলকে পৌঁছে দিলেন শেষ ষোলোয়। সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত একটায় পর্তুগালের প্রতিপক্ষ স্পেন।




