এমন পরিস্থিতিতে অভিযোগপত্র গঠনের পর গতকাল সন্ধ্যায় আসামিপক্ষের হয়ে মামলা পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী হিসেবে মুসা কালিমূল্যাহকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তিনি ঢাকা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য।
নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং দল ও সংগঠন ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়ে আসছে তারা। কম সময়ের মধ্যে অন্য যেসব মামলার অভিযোগপত্র জমা হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম মাগুরার আলোচিত শিশুধর্ষণ ও হত্যা মামলা। গত বছরের ৬ মার্চের এ ঘটনার তদন্ত শেষে ৩৭ দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। আর রায় ঘোষণা করা হয় ঘটনার ৭৩ দিনের মাথায়।
মাগুরা হত্যাকাণ্ডের আগে নারী-শিশু নির্যাতন, বিশেষ করে কন্যাশিশুদের নির্যাতনের ঘটনাগুলো প্রতিরোধ করার জন্য যথেষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছিল না। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সংশোধনী আনা হয়, যাতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত এবং বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করা যায়। ২০২৫ সালে আনা এই সংশোধনী বর্তমান নির্বাচিত সরকার অনুমোদন করেছে।




