মৃত্যুর কয়েক মাস আগে দেয়া সাক্ষাৎকারে লালনকন্যা খ্যাত শিল্পী ফরিদা পারভীন

‘এই পদ্মা, এই মেঘনা’, ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’, ‘সময় গেলে সাধন হবে না’, ‘তোমরা ভুলেই গেছ মল্লিকাদির নাম’- বহুল জনপ্রিয় গানগুলো শুনলে যার অবয়ব ভেসে ওঠে, তিনি ফরিদা পারভীন। লালনকন্যা ও লালন সম্রাজ্ঞী হিসেবে পরিচিত তিনি। ৫৪ বছর ধরে লালন ফকির, নজরুল, দেশাত্মবোধকসহ ক্ল্যাসিক্যাল সংগীত গেয়েছেন তিনি, এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গেয়েছেন লালন ফকিরের গান।
সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য পেয়েছেন ‘একুশে পদক’। পেয়েছেন এশিয়ার নোবেল হিসেবে পরিচিত জাপানের ‘ফুকওয়াকা’ পুরস্কার। কাজের স্কীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও। এ ছাড়াও পেয়েছেন দেশি-বিদেশি অসংখ্যা পুরস্কার ও সম্মাননা।
২০২৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। ফরিদা পারভীনের এই সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন শাহাদাত হোসেন তৌহিদ। গেল বছরের জানুয়ারিতে নেয়া সাক্ষাৎকারটি প্রথম প্রকাশিত হয় ‘ভিউজ বাংলাদেশ’-এ, শিল্পীর প্রথম প্রয়াণ দিবসে সাক্ষাৎকারটির সংক্ষিপ্ত রূপ চ্যানেল আই অনলাইনের পাঠকদের জন্য পুনরায় প্রকাশ করা হলো:
সত্তরোর্ধ্ব জীবন আপনার। পুরো জীবনটাই সংগীতের সঙ্গে, জীবন নিয়ে সংগীত নিয়ে আপনার এখকার অনুভূতি কেমন?
এই বয়সে প্রথম অনুভূতি হচ্ছে আরেকটু বাঁচতে ইচ্ছে করে। সংগীতের জন্য আরও ভালো কিছু করার ইচ্ছা জাগে। তারপরও মানুষ-তো মরণশীল। দুনিয়ার জীবন অস্থায়ী। তবুও আল্লার অশেষ মেহেরবানি যে, এত অসুস্থতার পরও আমি এখনো গান করতে পারি। জীবন যেহেতু আছে অসুস্থ হবে আবার ভালো হবে। ভালো-মন্দ মিশিয়ে আছি। সংগীতচর্চাই করছি। একাডেমিক কাজ করছি। ফরিদা পারভীন ফাউন্ডেশনের আদলে সবকিছু করার চেষ্টা করছি। বাচ্চাদের একাডেমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে যদি বলেন, তাহলে প্রথমে স্বপ্ন ছিল অচিনপাখি। আমি যেহেতু লালন সাঁইজির গানেই নিজেকে অবগাহন করেছি, সেখানে আমি চেয়েছি আমার মধ্যে আমার গুরু এবং লালন ফকির বেঁচে থাকবে। আমার বাচ্চাদের গুরু-শিষ্যের যে পরম্পরায় আছি, সাঁইজির তরিকায় সেটি ওদের বোঝানোর জন্য চেষ্টা করেছি পরিপূর্ণরূপে মানুষরূপে। শুধু মানুষরূপের চেহারা নয়, মনুষ্যত্ব নিয়ে যেন তারা জীবনে সমৃদ্ধ লাভ করে এবং এগিয়ে যেতে পারে।
ভাষা আন্দোলনের পরপরই আপনার জন্ম, স্বাধীনতাযুদ্ধ-মুক্তিযুদ্ধ দেখলেন, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান, সর্বশেষ ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানও দেখলেন। মানুষের ওপর শোষণমুক্তি কতদূর?
নিজেকে সুধরাতে হবে। আমরা যদি আত্মশুদ্ধি লাভ না করতে পারি, হবে না। সাঁইজি বলছেন, ‘সত্য বল সুপথে চল, ওরে আমার মন। সত্য সুপথ না চিনিলে, পাবিনে মানুষের দর্শন।’ আমাদের মধ্যে মিথ্যা জড়িয়ে আছে, মিথ্যাকে সত্যের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলেছি। কিন্তু সত্যকে সত্যভাবে নিজেকে আত্মশুদ্ধি লাভ করতে হবে। এটা লালন সাঁইজির কথা। লালন সাঁইজি বহু গানের মধ্যে সেটা বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। মানবকল্যাণের কথা বলবার চেষ্টা করেছেন। সে জন্য আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, আত্মশুদ্ধি লাভ করতে হবে। তারপর আপনার দেশ বলেন, জাতি বলেন, পরিবার বলেন- সত্য পথে এগিয়ে যাবে। সত্য পথে যারা এগোয় তাদেরই-তো সাহস থাকবে, তাদের কোনো ভয় নেই। কাজেই আত্মশুদ্ধি ছাড়া দেশের বিশৃঙ্খলা থামবে না। আল্লা, ভগবান, ঈশ্বর বলেন- তার ওপর তায়াক্কুল করতে হবে। আমি মুসলমান হিসেবে বললাম।
বিভিন্ন সময় আমরা দেখেছি দেশের বাউল শিল্পীদের শারীরিক-মানসিক নির্যাতন করতে। চব্বিশের পর সেই নির্যাতন আরও বেড়েছে। এ বিষয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া কী?
আমি মনে করি, মানুষের প্রতি কেন আমি অবিচার করব? যার যার কর্ম সে করবে। আমি-আপনি বলার কে? তবে হ্যাঁ আজকাল আবার এটাও ঠিক, গানের মধ্যে যেসব অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে-এগুলো লালন ফকিরের গানে গ্রাহ্য করে না। লালন ফকিরের বাণী হচ্ছে ভাবজগতের। গায় ভালো ঠিক আছে; কিন্তু এই যে নাচানাচি করে এর মাঝে অনেক অহেতুক কাজ হয়, যে কারণে এটার জন্য যারা দেখতে পায় তারা হয়তো এটাকে উশৃঙ্খল মনে করে প্রতিহত করে। তারপরও আমি বলি, প্রতিহতের দরকার নাই-তো, তাদের বোঝানোর চেষ্টা করতে হবে। আলাপ-আলোচনার সঙ্গে কতটুকু কাজ করবে সেইভাবে করো। লালনের গান ষাট বছর আমি গেয়ে যাচ্ছি-কই আমার গানে, আমার কথায়, আমার চালচলনে কেউ কখনো উশৃঙ্খলতা পেয়েছে? না, পায়নি। আমি দ্ব্যর্থহীন এবং দৃঢ়তার সঙ্গে কথা বলেছি।
দ্বিতীয়ত, কিছু কিছু সুর আছে অশ্রাব্য। সুরের একটা আবেদন আছে। সুর নিঃসন্দেহে ঐশ্বরিক। সেটা আপনি মুসলমান-হিন্দু যে ধর্মেরই হোন না কেন- সুর হচ্ছে ঐশ্বরিক। আমি যদি মুসলমান হিসেবে কথা বলি, সুর এমন একটা জিনিস যে হজরত বেলালের কণ্ঠে আজান না হলে সকাল হতো না। সকাল প্রত্যাশা করতো কখন হজরত বেলাল আজান দিবেন, আমি ভোর হব। এই যে এটা কতো গভীর বিষয়। কেউ এটা মানুক না মানুক- এটা-তো হাদিসের কথা। তারপরও এরা যা খুশি তাই করছে ভাই, এটা ঠিক না। কিন্তু যারা আদি লালন সাঁইজির ভক্ত, লালন সাঁইজিকে ধ্যান করে তারা এসব করে না। তারা স্থির হয়ে লালনের গান পরিবেশন করেন। এটাই প্রথম থেকে আমি দেখে এসেছি। আমি যেদিন প্রথম ‘সত্য বল সুপথে চল’ গানটি করলাম কেন জানি মানুষের কাছে এত ভালোবাসা পেল, তখন মানুষ বললো- আরেকটা হোক, আরেকটা হোক। কারণ সংগীতের সঙ্গে আমি প্রতারণা করিনি। করিনি বিধায় আমি ওখানে সত্য কথা বলেছিলাম। বলেছিলাম ভাই, আমি এখনো শিখিনি। আমি শিখে আসি তারপর আপনাদের শোনাব। সত্য কথা বলে ফেলেছি। ঘটনাগুলো যে কতো গভীর কতো ঐশ্বরিক অনুরণন, সেটা কিন্তু আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। এটা উপলব্ধির ব্যাপার।
এ জন্য বলছি, শালীনভাবে, সুন্দরভাবে লালনের বাণীকে প্রচার করার যে প্রয়াস এটা যেই হোক না কেন, যত বড় ফকির হোক না কেন- ফরিদা পারভীন সেটা পছন্দ করছে না। ফরিদা পারভীন আদি গুরু ধরে এখানে এসেছে। এখানে হেনতেন করে সিডি শুনে ইউটিউব দেখে এসব ফরিদা পারভীন করে না। আজকে ষাট বছর এটাকে চর্চা করে আয়ত্ত করে আত্মনিবেদনের পরে এ পর্যন্ত আমি নেয়ার চেষ্টা করেছি। হয়েছে কি না আমি জানি না। সেটা আমার জনগণ বলবে।
সারা পৃথিবীতে আমাকে এখন সুফি আর্টিস্ট বলে। মরক্কো, তিউনিশিয়া, আলজেরিয়া, বেলজিয়াম এসব জায়গায় আল্লাহ আমাকে নিয়ে গেছেন এবং সুফি আর্টিস্ট হিসেবে তারা আমাকে গণ্য করেছেন। ফ্রান্সের গানের সঙ্গে যৌথভাবে একটা প্রজেক্টে কাজ করেছি। রেকর্ড করে এসেছি।
শিল্পজীবনের প্রয়োজনে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে আপনি ঘুরছেন। শুনতে পেলেন কেউ একজন একাকী মনের আনন্দে আপনার গান গাইছেন- এ অনুভূতি কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন।
এটা তো বিশ্লষণ করা যায় না, উপলব্ধির ব্যাপার। খুব সত্যি, শুকরানা আদায় করি লালন সাঁইজির বাণী আমার মধ্যে বিরাজ করছে এ জন্য, যা গাইলেই সুরের একটা মাদকতা আমরা পাই। যা কিছু ঘটছে, যা কিছু ঘটবে সবকিছু নির্ধারিত। আমি কোনো জায়গায় কিন্তু অসম্মানিত হইনি। সমস্ত মানুষের কাছের আমি কৃতজ্ঞ। কী এমন গান গাই-আমি জানি না। এই গাওয়ার মধ্য দিয়ে হয়তো আধ্যাত্মিক কোনো চেতনা তাদের ভেতরে জাগে। একমাত্র সারা ব্রহ্মাণ্ডের মালিক, তাঁর কাছে শুকরানা আদায় করি।
‘তোমরা ভুলে গেছ মল্লিকাদির নাম’ এই গানের রহস্যভেদ নিয়ে বলবেন।
যিনি কবি যিনি লিখেছেন তার মতো আমি কি বলতে পারি? কিন্তু আমি ভাসাভাসা যেটুকু জানি, সমস্ত কবি-লেখকের সামনে-তো তাদের ভালোবাসার একটা মানুষ সামনে থাকে। এই গানটির ভাবটাই এরকম। হয়তোবা কবি মল্লিকা দি বলে কাউকে অবচেতন মনে ভালোবাসতেন বা তাকে দূর থেকে দেখেছেন-এটা আমার এসেসমেন্ট। হয়তো সেই গ্রামেই যখন ছিলেন এই পটভূমিকায় হতে পারে। তবে, এটা মনে হচ্ছে যেন একেবারেই সত্যি ঘটনা। যখন বলছে আম কুড়ানোর সময়, এখানে বুঝা যাচ্ছে তার সাথে হয়তো একটু দেখা হয়েছে, একটু হাতাহাতি হয়েছে। ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ একটু একটু করে দেয়। যেমন গানে আছে, দুপুর বেলা মল্লিকাদির আটচালাতে গিয়ে।
মল্লিকাদির গান রেকর্ড কীভাবে হলো?
শিখেছি, তারপর রেকর্ড করা হয়েছে। ১৯৬৮ সালে আমি রাজশাহী বেতারে গান করি। নজরুল ও আধুনিক গানে আমি পাস করি রেডিওতে। সেখানে প্রথম রেডিওতে ওটা করা হয়েছিল। আরও একটি গান- ‘নিন্দার কাটা যদি না বিধিল গায়।’ দুটো গান ওখানে ওই মাসের শ্রেষ্ঠ গান হয়েছিল, তখন আমাকে কেউ দেখেনি। আমার গান শুনে আমাকে স্বীকৃতি দিয়েছে। আমি এ জন্য সবসময় রেডিওকে বেশি প্রাধান্য দিই। আমি বাংলাদেশে টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারের ওপর সত্যি সত্যি অনেক কৃতজ্ঞ। এখন দেখা যায়, শোনা যায় কত কিছু হয়।
নিরাপত্তার অজুহাতে কিংবা আপত্তির মুখে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে লালন মেলা, বাউল মেলা বন্ধ হয়-ব্যাপারগুলো কীভাবে দেখছেন?
লালন সাঁইজির জীবদ্দশা থেকে লালন মেলাটা চলে আসছে। এরা কি লাঠিসোঁটা নিয়ে চলছে নাকি মানুষকে মারধর করছে? তাহলে সমস্যা কোথায়? নিরাপত্তার ব্যাপার কেন আসে আমি বুঝি না। গান শুনতে নিরাপত্তা লাগবে কেন? আমি নিজে সারারাত গান করেছি। লালন মেলায় সারারাত মানুষ গান শোনে, বুঝুক আর না বুঝুক এর আস্বাদন গ্রহণ করে মানুষ।
কথিত আছে লালন সাঁইজি একইদিনে জন্ম এবং মৃত্যু হয়েছে। এবারও এত মানুষ হয়েছে চিন্তা করা যায় না। যারা এটা আয়োজন করেছে তাদের ধন্যবাদ। মেলায় গবেষকরা আলোচনা করেন, শুনলে মানুষের আত্মশুদ্ধি লাভ হয়। আমার কথা বলছি, আমার কথার একটা মূল্য তো নিশ্চয়ই আছে। আমি এতদিন লালন সাইজির বাণী ধারণ করে সারা পৃথিবীতে গান করে আসছি। এতকাল মেলা চলতেছে এখন হবে না কেন? আমি চাই মেলাটা চলুক। নিরাপত্তা দিতেই হবে। এখানে জেলা কর্তৃপক্ষ-এসপি কর্তা তারা নিরাপত্তা দিবে। মেলা বন্ধ করা যাবে না।
গণঅভ্যুত্থানের পর আমাদের কালচারে রাজনৈতিকভাবে বড় ধরনের আঘাত এসেছে। এ বিষয়ে আপনার অভিমত কী?
একটা দেশকে পরিচয় করিয়ে দেয় তার সংস্কৃতি। আমি সরল-সহজ সত্য কথা বুঝি, সবকিছু এখন আপগ্রেড করতে হবে। সংগীত সংশ্লিষ্ট সবকিছু চলমান রাখতে হবে। খুব সত্যি কথা বলছি, শুধু এখন না, করোনার পর থেকে কোনো প্রোগ্রাম নাই, আমরা কী খেয়ে বাঁচবো? এত নাম খ্যাতি হয়েছে আমাদের। বাউল-ফকির-যন্ত্রশিল্পীরা এতো কষ্টে ছিল না। এখন কষ্টে আছে, সেগুলো একটু বুঝতে হবে। তারপরও আমি আশাবাদী। আল্লাহর রহমতে আমাদের ফান্ড খুব শক্তিশালী হচ্ছে ড. ইউনূস স্যারেক স্যালুট জানাই। এখন একটু একটু খুব সামান্য করে প্রোগ্রাম হচ্ছে, এটা পর্যাপ্ত না। অথচ আগে আমরা সময় পাইনি এক প্রোগ্রাম করে আরেক প্রোগ্রাম শুরু করতে হতো। বিদেশ যেতে হতো, সেরকম হচ্ছে না।
আবদুল হামিদ চৌধুরী, কমল দাশগুপ্ত, সমর দাস, আবু জাফর, কাদের জমিলির মতো বিশিষ্ট সংগীতজ্ঞরা এখন আর জন্ম না দেয়ার কারণ কী?
দেখুন, সংগীত হলো গুরুমুখী বিদ্যা। গুরুর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত চরণ ধরে সংগীতের চর্চা করতে হয়। দ্বিতীয়ত; একদম দ্ব্যর্থহীনভাবে বলছি- চ্যানেলগুলো সস্তা রিয়েলিটি শো করে নষ্ট করে ফেলছে গানের জগৎ। চ্যানেলগুলো সংগীতের ধারাবাহিকতা নষ্ট করে ফেলছে। ভেতরে-ভেতরে অনেক কিছু এদিক-ওদিক হয়। যে সত্যিকারের প্রথম তাকে প্রথম করা হয় না। আমি অনেক জায়গায় বিচারক হিসেবে থেকেছি। সবই দেখি তা না না। এদের দিয়ে ব্যবসার একটা পথও আছে। গাড়ি দেয়, টাকা দেয়, ফ্ল্যাট দেয়। কই আজকে পঞ্চাশ বছরে তো একটা ফ্ল্যাট করতে পারলাম না। ১০ লাখ টাকা এক জায়গায় করার ক্ষমতা হয়নি। হ্যাঁ, এটা গর্বের সাথে বলতে পারি, আমার বাচ্চাদের উচ্চশিক্ষায় খুব ভালোভাবে শিক্ষা দিয়েছি। গুরুমুখী বিদ্যাটা অল্পতে পেয়ে যায় তো, এর কারণে এ অবস্থা। যদি এ অবস্থা হয় ভবিষ্যৎ এমনিতেই বলা যায়। তারপরও আশাবাদী যেন এর মধ্যে থেকে ভালো শিল্পী বের হয়ে আসে।
প্রতিবেদক
শাহাদাত হোসেন তৌহিদ
বাংলাদেশ ও বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ খবর, মানুষের গল্প এবং যাচাইকৃত তথ্য পাঠকের কাছে পৌঁছে দেয় চ্যানেল আই অনলাইন।
আরও পড়ুন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…

