এক সপ্তাহ পর বন্ধ হবে গ্রীষ্মকালীন দলবদল। এ মুহূর্তে স্বাচ্ছন্দ্যে খেলোয়াড়রা নতুন ক্লাবে যোগ দিচ্ছেন। তবে পুরো উল্টো চিত্র জুলিয়ান আলভারেজের সঙ্গে। এক তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। ক্লাব বদলের আলোচনা আসার পর থেকেই বেশ চাপের মধ্যে পড়েছিলেন এ আর্জেন্টাইন বিশ্বকাপ জয়ী ফরোয়ার্ড। লা লিগায় অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের দ্বিতীয় ম্যাচে নিজের দর্শদের থেকেই দুয়োধ্বনি পেলেন তিনি।
মেট্রোপলিটানো স্টেডিয়ামে ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে ম্যাচে অ্যাটলেটিকোর ২৬ বর্ষী এ ফরোয়ার্ডকে লক্ষ্য করে তার নিজের সমর্থকরাই দুয়োধ্বনি দিতে থাকেন। এরপর থেকেই দলবদলের অন্যতম কাহিনীতে নতুন মোড় আসে। বেশ আগের থেকেই স্পষ্ট, আলভারেজ মাদ্রিদের ক্লাবটি ছাড়তে চায়। এ আর্জেন্টাইনের স্বপ্ন ছিল বার্সেলোনা যোগ দেয়া। তবে অ্যাটলেটিকো সোজা জানিয়ে দিয়েছে তাকে কাতালান ক্লাবটির কাছে কোনভাবেই ছাড়বে না।
১ সেপ্টেম্বর দলবদলের শেষ দিন। তবে এখনও বেশ আলোচিত বিষয় হয়ে আছে আলভারেজের দলবদল নিয়ে। এর মাঝেই ক্লাবের সমর্থকদের থেকে এক তিক্ত অভিজ্ঞতার সাক্ষী হলেন তিনি। সমর্থকদের থেকে দুয়োধ্বনি প্রত্যাশিত ছিল, মনে করে বেশ কিছু ইউরোপীয় গণমাধ্যম।
অ্যাটলেটিকোর সভাপতি এনরিকে সেরেজো গত সপ্তাহে বলেছিলেন, ‘আমি জানি না এসবের জন্য সে ক্ষমা চাইবে কি না। কিন্তু আলভারেজ একজন চমৎকার মানুষ এবং আমি পুরোপুরি নিশ্চিত যে, সে দুই ম্যাচেই সমর্থকদের মন জয় করে নেবে। আমি বলেছিলাম তাকে বিক্রি করা হবে না। সে আমাদের খেলোয়াড় এবং আমাদের দলের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সে আমাদের সাথে আছে বলে আমরা খুশি এবং আমরা মনে করি তার একটি দুর্দান্ত মৌসুম কাটবে।’
তবে ইংলিশ এক গণমাধ্যমের মতে, অ্যাটলেটিকো এবং বার্সেলোনা ছাড়াও এই দৌড়ে তাদের আরেক বড় প্রতিপক্ষ আর্সেনাল। গ্রীষ্মকালীন মৌসুম জুড়ে ধারাবাহিকভাবে জানিয়ে আসছে, আলভারেজকে গানাররা তাদের স্বপ্নের দলবদল হিসেবে দেখছে। কিন্তু দলবদলের বেশিরভাগ সময় জুড়েই আর্সেনালের গতি ধীর ছিল। মূলত এর কারণ বার্সেলোনায় যোগ দেয়ার ব্যাপারে তার ইচ্ছা।
গণমাধ্যম জানায়, আর্সেনাল সঠিক মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করছিল। তবে এখন এমিরেটসের কর্মকর্তারা মনে করছেন সে সঠিক মুহূর্ত চলে আসছে। এখন প্রশ্ন একটাই, এ চুক্তি কি সম্ভব, কোথায় শেষ ঠিকানা হবে আর্জেন্টিনার হয়ে ২০২২ বিশ্বকাপ জেতা আলভারেজের।

