নিহত ব্যক্তিদের বাড়ি চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে। আজ বাদ মাগরিব স্থানীয় শিশু নিকেতন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তিনজনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁদের দাফন হয়।
নিহত কামাল উদ্দিনের বৃদ্ধ বাবা সিরাজুল ইসলাম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার ছেলে কিছুদিন আগেই দেশে এসে নিজ হাতে পারিবারিক কবরস্থানে মাটি দিয়ে গিয়েছিল। কে জানত, সেই মাটিতেই তাকে স্ত্রী-সন্তানসহ চিরনিদ্রায় শায়িত করতে হবে? আমার বুকটা ফেটে যাচ্ছে। আমি এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’
পরিবারের সদস্যরা জানান, কামাল উদ্দিন সর্বশেষ দেশে এসে পারিবারিক কবরস্থানটি সংস্কার করেছিলেন। সেই কবরস্থানেই এখন তাঁকে স্ত্রী ও মেয়ের সঙ্গে দাফন করা হবে।


