ইরানের সব ড্রোন ধ্বংস করা সম্ভব নাও হতে পারে: মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের সতর্কতা – DesheBideshe

ইরানের সব ড্রোন ধ্বংস করা সম্ভব নাও হতে পারে: মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের সতর্কতা – DesheBideshe

ওয়াশিংটন, ৫ মার্চ – যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা মঙ্গলবার কংগ্রেসে আয়োজিত একটি গোপন বৈঠকে সতর্কতা জানিয়ে বলেছেন, প্রতিশোধমূলক হামলার অংশ হিসেবে ইরান থেকে ছোড়া প্রতিটি ড্রোন ধ্বংস করা তাদের পক্ষে সম্ভব নাও হতে পারে।

জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনের নেতৃত্বে কর্মকর্তারা জানান, ইরান হাজার হাজার একমুখী আক্রমণাত্মক ড্রোন ব্যবহার করছে। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এগুলোর বেশিরভাগ ধ্বংস করার সক্ষমতা থাকলেও শতভাগ ঠেকানো কঠিন। এ কারণে তারা ড্রোন এবং প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ স্থানগুলো দ্রুত ধ্বংস করার ওপর জোর দিচ্ছেন।

ইরান মার্কিন হামলার প্রতিশোধ হিসেবে কম খরচের একমুখী আক্রমণাত্মক শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করছে যেগুলো ধীরে এবং নিচু উচ্চতায় উড়ে প্রচলিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে যেতে পারে।

প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের উন্নত প্যাট্রিয়ট এবং থাড ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করতে বাধ্য করার ইরানি কৌশল ব্যর্থ হয়েছে। কারণ যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ব্যবস্থা ব্যবহার করে বেশিরভাগ ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। তবে কংগ্রেসের শীর্ষ ডেমোক্র্যাটরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারসেপ্টরগুলোর ব্যবহার দ্রুত বেড়েছে।

জেনারেল কেইন এই উদ্বেগ স্বীকার করলেও জনসমক্ষে অস্ত্র ভান্ডার পর্যাপ্ত থাকার বিষয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন।

প্রাথমিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রথম দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র দৈনিক প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে যা বর্তমানে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লিভিট জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র মজুত যথেষ্ট এবং দেশটি ইরানের সঙ্গে দীর্ঘ যুদ্ধ চালাতে সক্ষম। তিনি উল্লেখ করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মন্তব্য মূলত বাইডেন প্রশাসনের ইউক্রেনকে অস্ত্র সহায়তা দেওয়া নিয়ে সমালোচনা ছিল।

এনএন/ ৫ মার্চ ২০২৬