ওয়াশিংটন, ২০ মার্চ – দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এই যুদ্ধ এখন চতুর্থ সপ্তাহে পা দিয়েছে। এর মধ্যে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ইরান ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রও এ যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত এ যুদ্ধে ১৬টি এয়ারক্রাফট হারিয়েছে। এর মধ্যে ১০টি অত্যন্ত দামি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং বাকি ছয়টি বিমান। এদের মধ্যে শুধু যুদ্ধবিমান নয়, রিফুয়েলিং বিমানও আছে।
ব্লুমবার্গ জানায়, সবচেয়ে বড় ক্ষতি কুয়েতে হয়েছে। সেখানে একসঙ্গে তিনটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়, যা কুয়েতি সেনারা ভুলক্রমে মাটিতে নামিয়ে আনে।
এর কয়েকদিন পর ইরাকের আকাশসীমায় বিধ্বস্ত হয় কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমান, এতে ওই বিমানে থাকা ছয় মার্কিন সেনা নিহত হন।
সৌদি আরবের একটি ঘাঁটিতেও হামলা চালিয়ে ইরান একসঙ্গে পাঁচটি রিফুয়েলিং বিমান ধ্বংস করেছে।
গতকাল ইরান মার্কিনিদের অত্যাধুনিক এফ-৩৫ বিমানে হিট করেছে। তবে বিমানটির পাইলট এটি দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে নিয়ে গিয়ে জরুরি অবতরণ করান। বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা দেখাচ্ছে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখনও সক্রিয়।
মার্কিন সেনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুরো ইরানে তারা বিমানবাহিনীর পূর্ণ কর্তৃত্ব স্থাপন করতে পারেননি। এখন পর্যন্ত তেহরানের কিছু স্থানীয় এলাকায় তাদের কর্তৃত্ব আছে, যেখানে তারা হামলা চালাতে সক্ষম।
এনএন/ ২০ মার্চ ২০২৬






