ইরানে স্টারলিংক পাচারের দাবি ঘিরে নতুন বিতর্ক | চ্যানেল আই অনলাইন

ইরানে স্টারলিংক পাচারের দাবি ঘিরে নতুন বিতর্ক | চ্যানেল আই অনলাইন

ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট দাবি করেছেন, সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের সহায়তা করতে ইসরায়েল গোপনে ইরানে স্টারলিংক ইন্টারনেট ডিভাইস পাচার করেছিল। তবে তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকার সেই উদ্যোগ পুরোপুরি বাস্তবায়ন করেনি।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

জেরুজালেমে জেএনএস আন্তর্জাতিক নীতি শীর্ষ সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে বেনেট বলেন, তিনি ইরানে হাজার হাজার স্টারলিংক রিসিভার সংগ্রহ ও পাচারের প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন, যার লক্ষ্য ছিল দেশটিতে ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সচল রাখা। তার দাবি অনুযায়ী, এসব ডিভাইসের উদ্দেশ্য ছিল ইরানের বিক্ষোভকারীদের যোগাযোগ ও সংগঠিত হওয়ার সুযোগ তৈরি করা, যা শেষ পর্যন্ত দেশটির সরকারকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সহায়ক হতে পারত।

বেনেট আরও বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে বর্তমান অকার্যকর ইসরায়েলি সরকার তা এগিয়ে নেয়নি। ফলে বিক্ষোভের সময় প্রয়োজনীয় অবকাঠামো সেখানে ছিল না। তিনি ইঙ্গিত দেন, ভবিষ্যতে তিনি ক্ষমতায় এলে ইরানের সরকারকে দুর্বল করার জন্য অর্থনৈতিক চাপ, প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনে “অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ডের মতো পদক্ষেপ বিবেচনা করা হতে পারে।

এদিকে স্পেসএক্স পরিচালিত স্টারলিংক পরিষেবা ইরানে আনুষ্ঠানিকভাবে লাইসেন্সপ্রাপ্ত নয়। তবে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ইলন মাস্ক আগেও দাবি করেছিলেন, ইরানে নেটওয়ার্কটি সক্রিয়ভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। অন্যদিকে তেহরান দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে স্টারলিংক ডিভাইস চোরাচালান করছে। গত বছর ইরানে নতুন একটি আইন পাস হয়, যেখানে স্টারলিংক টার্মিনাল ব্যবহার, ক্রয় বা বিক্রয়ের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড এবং ১০টির বেশি ডিভাইস আমদানি বা বিতরণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।