সায়েদার চাচা মোশাররফ হোসেন জানান, তাঁর বড় ভাই দীর্ঘদিন ধরে ফরিদপুরের একটি মসজিদে ইমামতি করছেন। দুর্ঘটনায় তাঁর ভাই, ভাবি ও ভাতিজি গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে ভাই ও ভাতিজির অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে তিনি জানান। ভাতিজি আফনান ফরিদপুরের একটি কলেজের শিক্ষার্থী। হঠাৎ এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় পুরো পরিবার দিশাহারা হয়ে পড়েছে, সবাই এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক। ছোট্ট একটি শিশুর এমন অকালমৃত্যু আমাদের সবাইকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। খবর পাওয়ার পরপরই আমাদের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সায়েদার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন।’
ইউএনও আরও বলেন, ‘দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত এই পরিবারের পাশে দাঁড়াতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। তাদের কী ধরনের সহায়তা প্রয়োজন, তা নিরূপণ করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে।’



