ঈদে পদ্মা সেতুতে স্বয়ংক্রিয় ই-টোল ব্যবহার করা গাড়ির সংখ্যা বেড়েছে

ঈদে পদ্মা সেতুতে স্বয়ংক্রিয় ই-টোল ব্যবহার করা গাড়ির সংখ্যা বেড়েছে

পদ্মা সেতুতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া ই–টোল সেবা ব্যবহারকারীর সংখ্যা ঈদ উপলক্ষে বেড়েছে। এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) পরিচালিত ‘ডি-টোল’ নামের নগদবিহীন এই সেবা ব্যবহার করে পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় গাড়ি না থামিয়েই সেতুর টোল দিতে পারছেন চালকেরা। নগদ অর্থের বদলে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দ্রুত ও নির্বিঘ্নে টোল পরিশোধের সুযোগ থাকায় পদ্মা সেতুতে ঈদকেন্দ্রিক অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে সেবাটি। আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এসপায়ার টু ইনোভেট।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ডি-টোল মূলত রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (আরএফআইডি) প্রযুক্তিনির্ভর একটি উন্মুক্ত ও আন্তসংযুক্ত টোলিং প্ল্যাটফর্ম। গাড়িতে থাকা বিআরটিএ আরএফআইডি ট্যাগ ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল আদায় করতে পারে প্ল্যাটফর্মটি। ফলে আলাদা কোনো যন্ত্র বা অন-বোর্ড ইউনিট কিনতে হয় না। পদ্মা সেতুতে পরীক্ষামূলকভাবে ধাপে ধাপে এই সেবা চালু করা হয়েছে এবং প্রতিদিন উল্লেখযোগ্যসংখ্যক গাড়ি প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করছে। বিভিন্ন ব্যাংক, মোবাইল আর্থিক সেবা ও ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে টোল পরিশোধ করার সুযোগ থাকায় ঈদ উপলক্ষে ই-টোল ব্যবহার করা গাড়ির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।  

এসপায়ার টু ইনোভেটের হেড অব প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট আবদুল্লাহ আল ফাহিম জানান, এখন পর্যন্ত ১০ হাজারের বেশি যানবাহন প্ল্যাটফর্মটিতে নিবন্ধিত হয়েছে এবং ৭ কোটি টাকার বেশি টোল আদায় করা হয়েছে। ডি-টোল চালুর ফলে যাতায়াতে স্বস্তি বেড়েছে, যানজট কমেছে এবং বিপুল পরিমাণ কর্মঘণ্টা সাশ্রয় সম্ভব হয়েছে।

এসপায়ার টু ইনোভেট কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, পদ্মা সেতুতে সফল বাস্তবায়নের পর পর্যায়ক্রমে যমুনা সেতুসহ দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সেতু ও এক্সপ্রেসওয়েতে ডি-টোল সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এবং অন্য টোল অপারেটরদের সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় আন্তসংযুক্ত টোলিং ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার কাজ চলছে।