পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘বলুন, নিশ্চয়ই আমার নামাজ, আমার কোরবানি, আমার জীবন এবং আমার মৃত্যু—সমস্তই জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য নিবেদিত।’ (সুরা-৬ আনআম, আয়াত: ১৬২)
পশু কোরবানির পাশাপাশি নিজের মনের পশু তথা নফসে আম্মারাকে কোরবানি করে (আত্মত্যাগের মাধ্যমে) পরিশুদ্ধ করা এবং আল্লাহর কাছে সর্বাত্মকভাবে আত্মসমর্পণ করাই কোরবানির মূল দর্শন ও শিক্ষা। ‘আল্লাহর নিকট ওদের গোশত বা রক্ত পৌঁছায় না; বরং পৌঁছায় তাঁর কাছে তোমাদের তাকওয়া।’ (সুরা-২২ হজ, আয়াত: ৩৭)
ঈদের দিনে ভোরে ঘুম থেকে ওঠা, পুরুষদের ফজরের নামাজ জামাতে মসজিদে আদায় করা, সকালে গোসল করা, মিসওয়াক করা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কাপড় পরিধান করা, আতর-সুগন্ধি ব্যবহার করা, ঈদগাহে এক রাস্তা দিয়ে যাওয়া এবং অন্য রাস্তা দিয়ে ফিরে আসা। আসা-যাওয়ার সময় তাকবির (আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ) বলা এবং খোলা মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করা সুন্নত।




