ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে স্পিড জানান, তিনি মহাকাশে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেন। ইলন মাস্কের প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ পেলে তিনি এখনই সব ছেড়ে মহাকাশ অভিযানে যেতে রাজি। এ ছাড়া বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতেও তিনি পিছপা হন না। ফিলিস্তিনের পক্ষে সরাসরি কথা বলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি কেবল মানবিক অধিকারের বিষয় এবং তাঁর মুসলিম ভক্তদের প্রতি সহমর্মিতা থেকেই তিনি এ বিষয়ে সোচ্চার। এআই তাঁর জায়গা নিতে পারে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে স্পিড বেশ আত্মবিশ্বাসী। তিনি বলেন, মানুষের সঙ্গে মানুষের যে জৈব সংযোগ, তা কোনো এআই প্রতিস্থাপন করতে পারবে না। প্রযুক্তি যতই উন্নত হোক, মানুষ সব সময় সেই আদিম মানবিক সংযোগই খুঁজবে।
স্পিড প্রমাণ করেছেন, প্রথাগত গণমাধ্যমের বাইরেও ইন্টারনেটের অসীম সম্ভাবনায় একজন একক ব্যক্তি কীভাবে গোটা বিশ্বের মনোযোগ কাড়তে পারেন। বিশ্বকাপের মঞ্চে স্পিডের এই লাইভ সম্প্রচার যে নতুন প্রজন্মের খেলা দেখার ধরণ বদলে দেবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
সূত্র: ওয়্যার্ড




