<![CDATA[
জাতীয় দলে ফেরার রাস্তাটা কঠিন, তবুও লড়াইটা চালিয়ে যেতে চান মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ভাবনায় আছে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ। তাই মঞ্চ হিসেবে দেখছেন চলতি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটকে। ৪ ম্যাচে ১০ উইকেট নেয়া এই অলরাউন্ডার, বল হাতে চান আরো উন্নতি করতে। তবে আক্ষেপও রয়েছে পর্যাপ্ত ব্যাটিংয়ের সুযোগ পাওয়া না নিয়ে।
গত অক্টোবরে নিউজিল্যান্ডে খেলা ত্রিদেশীয় সিরিজ এখনো দাগ কেটে আছে সাইফউদ্দিনের মনে। পাকিস্তানের বিপক্ষে ২৩ বলে ৫৩ রান খরচ করে বাদ পড়েন জাতীয় দল থেকে৷
সেই সিরিজেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও খরুচে ছিলেন এই অলরাউন্ডার। লাল-সবুজের জার্সিতে শেষ ওয়ানডে নিয়েও সুখস্মৃতি নেই এই ক্রিকেটারের। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৮ ওভারে দিয়েছিলেন ৮৭ রান! মূলত বল হাতে টানা ব্যর্থতাই কপাল পোড়ায় সাইফউদ্দিনের।
আরও পড়ুন:জাতীয় দলে ফেরা নিয়ে ভাবছেন না, ডিপিএল রাঙাতে চান সাইফউদ্দিন
নিজের বোলিং নিয়ে তাই ভাবনাটা বেশি এই ক্রিকেটারের। সে ভাবনায় সুফলও মিলছে৷ চলতি ডিপিএলের প্রথম ৪ ম্যাচ শেষে শীর্ষ উইকেটশিকারীর তকমাটা এখন তার গায়ে। তবে বাংলাদেশি পেসারদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে আশা দেখার সুযোগ কম তার। তাই তো প্রতিযোগিতার কথা মাথায় রেখেই আরও উন্নতি চান এই ক্রিকেটার।
সাইফউদ্দিন বলেন, ‘দুর্দান্ত বোলিং করছেন তাসকিন, এবাদত, হাসান, এমনকি শরিফুল, মুস্তাফিজ সবাই আসলে ক্যাপাবল। আমাদের পেস ইউনিট এখন অনেক শক্তিশালী। আগে শুনতাম পাকিস্তানের ওয়াকার ইউনিস, আকিব জাভেদ সুযোগ পেতো না অনেক সময়। এখন দেখতেছি আমাদের পেস ইউনিটও তেমন ভালো। ইনশাআল্লাহ, আমরা চাই আরও ভালো খেলুক আমাদের পেস ইউনিট। আমাদের লাস্ট কয়েকটা সিরিজ যদি দেখেন, বোলাররা দুর্দান্ত করছে। এই পেস ইউনিটের সদস্য হতে পারলে অনেক খুশি হব।’
পেস অলরাউন্ডার হিসেবে ক্যারিয়ারের শুরুতেই আলাদা করে নজর কাড়েন সাইফউদ্দিন৷ স্লগ ওভারে তার ব্যাটিং দক্ষতা দরকার জাতীয় দলেও৷ তবে ডিপিএলের ৪ ম্যাচে, ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছেন মাত্র এক ইনিংসে। ৪ বলের সে ইনিংসে অপরাজিত থেকেই মাঠ ছাড়েন। উইলো হাতে নিজেকে প্রমাণের সুযোগ না পাওয়া নিয়ে আক্ষেপও রয়েছে।
আরও পড়ুন:আবারও মাঠে নামবেন আকরাম-নান্নুরা
সাইফ বলেন, ‘ডিপিএলের চারটা ম্যাচ গেল, ব্যাট হাতে ওরকম কোনো সুযোগ পেলাম না। আমাদের টপ অর্ডারই খেলা শেষ করে আসছে। নিজেকে প্রমাণ করার মতো ব্যাটিংয়ের সুযোগ পাচ্ছি না। অবশ্য বোলিংটা দিয়েই আমাকে টিমে থাকতে হবে। তো বোলিংটাই আমার ফার্স্ট প্রায়োরিটি, ব্যাটিংটা আমার সাপোর্টিং হ্যান্ড। ইনশাআল্লাহ, বোলিংটা আরও ইমপ্রুভ করে কীভাবে দলে ঢোকা যায় তার চেষ্টা করব।’
ফেরার রাস্তাটা কঠিন জানেন, তবুও আশা ছাড়তে নারাজ সাইফউদ্দিন৷ চোখ রাখছেন ২৩ বিশ্বকাপে। আর তাই তো যেখানেই সু্যোগ পান লক্ষ নিজেকে প্রমাণের।
]]>


