এলপিজি পাম্পটি পরিচালনা করা হচ্ছিল জেলা প্রশাসনের অনাপত্তিপত্র, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, ফায়ার সার্ভিসের অনুমতিপত্র এবং বিস্ফোরক পরিদপ্তরের লাইসেন্স ছাড়াই। এ ঘটনায় গত রোববার রাতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় গ্যাস পাম্পের মালিক নুরুল আলমের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন বিস্ফোরক পরিদপ্তর চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সহকারী বিস্ফোরক পরিদর্শক এস এম সাখাওয়াত হোসেন। বিস্ফোরণের পর থেকে পাম্পের মালিক আত্মগোপনে রয়েছেন। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছমি উদ্দিন।
জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, পাম্পে বিস্ফোরণ ও আগুনের ঘটনা তদন্ত এবং ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের জন্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে (এডিএম) প্রধান করে ৫ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৭ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবেন। এরপর দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




