এগুলোর মধ্যে কয়েকটির স্বাস্থ্য ভালো নয় জানিয়ে এই প্রবীণ অধ্যাপক বলেন, মা গাছ নিয়ে কোনো সমীক্ষা আগে হয়নি। টিকে থাকা মা গাছগুলো রক্ষায় সচেতনতা তৈরি করতে হবে। এগুলো থেকে বীজ সংগ্রহ করে চারা তুলে বনায়ন করতে হবে।
মোহাম্মদ কামাল হোসাইন বলেন, ‘শতবর্ষী প্রাচীন এসব গাছের উচ্চতা অনেক বেশি, সোজা গড়ন ও বাজারমূল্য বেশি। এ কারণে গাছ পাচারকারীদের লক্ষ্য থাকে এগুলোর দিকে। ফলে আমাদের বনাঞ্চল থেকে এসব গাছ হারিয়ে যাচ্ছে।’
জরিপে পাওয়া ২০ প্রজাতির মা গাছের মধ্যে রয়েছে কেলি কদম, বৈলাম, ডেউয়া, উরিয়াম, লাল বাটনা, মাসজুত, চিকরাশি, কস্তুরি, জাদাচুয়া, ডালিয়া গর্জন, সিধা জারুল, ঢলি বাটনা, রক্তন, লক্ষ্মী আম, বাঁশপাতা, নালি জাম, সিভিট, শৈলা, শোগান ও লানা আছার। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে কেলি কদম—৮৮টি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যা ৭৪টি পাওয়া গেছে নালি জাম ও ডেউয়াগাছ। তৃতীয় সর্বোচ্চ ৬৬টি পাওয়া গেছে মাসজুতগাছ। সর্বোচ্চ উচ্চতার ৮৫ দশমিক ৬ মিটার (২৮১ ফুট) মা গাছ পাওয়া গেছে রামুতে, উখিয়ায় রয়েছে সর্বনিম্ন ৫ দশমিক ২ মিটার উচ্চতার গাছ।
গবেষণায় প্রকল্প ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেছেন সিএনআরএসের রফিকুল ইসলাম। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, পাঁচ মাস ধরে গবেষণা চালিয়ে মা গাছের এ সংখ্যা পেয়েছেন তাঁরা। সবচেয়ে বেশি মা গাছ পাওয়া গেছে উখিয়া উপজেলায়। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মা গাছ আছে টেকনাফ অঞ্চলে।




