পুলিশ সুপারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২৩ সেপ্টেম্বরের ওই অভিযানে ৬২৪ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ৪৫১ জনকে মুচলেকায় পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। অপর ১৭৩ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এরপর ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে ১৮ থানায় আরেক দফা অভিযান চালানো হয়। ওই অভিযানে ২৫৪ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ১৪৬ জন কিশোরকে মুচলেকায় পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়। অপর ১০৮ জনের বিরুদ্ধে কিশোর গ্যাং-সংক্রান্ত অপরাধ, মাদক, নিয়মিত মামলা, ভ্রাম্যমাণ আদালত, নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
গতকাল রোববার রাতেও ১৮ থানায় অভিযান চালানো হয়েছে উল্লেখ করে পুলিশ সুপার জানান, রাত শেষে ৪৭৮ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের ২৭৭ জনকে মুচলেকায় পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘কিশোর গ্যাংয়ের যারা অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়েছে, তাদেরকেও গ্রেপ্তার আছে এবং তাদেরকে আমরা মামলা দিয়ে চালান দিচ্ছি।’
মুচলেকায় পরিবারের জিম্মায় দেওয়া কিশোরদের বিষয়ে নজরদারি করা হচ্ছে বলেও জানান পুলিশ সুপার।



