ইফতারের আগে ক্রেতার ওপর কর্মীদের হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে স্টার হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় লজ্জিত ও মর্মাহত জানিয়ে বিষয়টিকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করেছে তারা।
রোববার ৮ মার্চ রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে স্টার হোটেল কর্তৃপক্ষ জানায়, আমাদের প্রতিটি কাস্টমার আমাদের জন্য অত্যন্ত প্রিয় ও সম্মানের। দীর্ঘদিন ধরে আপনাদের ভালোবাসা ও আস্থার ওপর আমাদের পথচলা। তাই এমন একটি ঘটনা আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক ও বেদনাদায়ক।
দুঃখজনকভাবে, কিছু কাস্টমার ও আমাদের কর্মীদের মধ্য উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার উদ্ভব হয়। দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই, এই ধরনের ঘটনার প্রতি মালিকপক্ষের কোনো সমর্থন নেই। আমরা মনে করি পরিস্থিতি সামলাতে আমাদের কর্মীদের পক্ষ হতে আরও ধৈর্য ও সংযম প্রদর্শন করা উচিত ছিল। এই ঘটনায় যিনি আহত হয়েছেন তার কাছে আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী এবং তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। আমরা তার তাৎক্ষণিক চিকিৎসার ব্যবস্থাও গ্রহণ করেছি। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত কর্মচারীর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, আমরা এটাও স্বীকার করি যে, আকস্মিক উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি কখনো কখনো সামলানো সবার জন্যই কঠিন হয়ে ওঠে। অনেক সময় কর্মীদের আচরণও আমাদের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে, যেখানে মালিকপক্ষও একপ্রকার অসহায় অবস্থায় পড়ে যায়। তবু একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা আমাদের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে চাই না।
আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে জন্য আমরা প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবো।
এর আগে গতকাল শনিবার ৭ মার্চ রাজধানীর পুরান ঢাকার জনসন রোডের রায় সাহেব বাজার মোড়ে অবস্থিত স্টার হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে খেজুরের দাম নিয়ে তর্কের জেরে গ্রাহকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কয়েকজন স্টাফ সংঘবদ্ধভাবে ক্রেতাদের ওপর হামলা চালান। চেয়ার এবং অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র দিয়ে রেস্টুরেন্ট কর্মীরা পিটিয়ে ক্রেতাদের আহত করে। ইফতারের সময় ঘটে যাওয়া এ ঘটনার ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।






