খুলনা মহানগর পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, পূর্বশত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা মাসুম বিল্লাহকে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডে তিনটি কিলার গ্রুপ অংশ নেয়। গুলি চালানো গ্রুপে আটজন সদস্য ছিল, যার মধ্যে দুজনকে মূল কিলার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ড শেষে পালানোর সময় উপস্থিত জনতা ও পুলিশ অশোক ঘোষ নামের এক সন্ত্রাসীকে বিদেশি অস্ত্রসহ আটক করে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে পারিবারিক কবরস্থানে মাসুম বিল্লাহর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। জানাজায় খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলালসহ জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া অস্ত্রধারীসহ সাত থেকে আটজনের নাম–পরিচয় পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন খুলনা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) মো. তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় অস্ত্র আইনে খুলনা সদর থানায় একটি মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগীর স্ত্রী আজ রাতের মধ্যে হত্যা মামলা করবেন বলেও তিনি জানান।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল আটক হওয়া অশোক ঘোষকে অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
মাসুম বিল্লাহ রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের মৃত মিনহাজ উদ্দীন মুন্সীর ছেলে। তিনি দুটি মামলার আসামি ছিলেন এবং আগে র্যাবের হাতে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তাঁর বড় ভাই নৈহাটি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল ওরফে মিনা কামাল ২০২০ সালে র্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন।




