গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়ে দলীয় তদন্ত, এরপর দল থেকে বহিষ্কার, সিইসি ও স্পিকারকে চিঠি দেওয়া—এখানেই নিজেদের দায়িত্ব শেষ দেখছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, দল থেকে বহিষ্কারের পর গাজী নজরুল ইসলাম আর জামায়াতের সদস্য নন। তাই তাঁকে পদত্যাগ করতে বলার প্রশ্নও আসে না। জামায়াত তাঁর দায়ও নেবে না। এখন তিনি সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করবেন কি না, সেটি তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।
গতকাল একাধিকবার ফোন করলে গাজী নজরুল ইসলামের মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে। হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
এই বিষয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ প্রথম আলোকে বলেন, একজন সংসদ সদস্যকে নৈতিক স্খলনের কারণে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ও স্পিকারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এখন তাঁরা কী ব্যবস্থা নেবেন, সেটি তাঁদের এখতিয়ার। জামায়াত শুধু তার নৈতিক দায়িত্ব পালন করেছে।




