চট্টগ্রামে তীব্র বিদ্যুৎ সংকট: বন্ধ ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র, ভোগান্তিতে নগরবাসী – DesheBideshe

চট্টগ্রামে তীব্র বিদ্যুৎ সংকট: বন্ধ ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র, ভোগান্তিতে নগরবাসী – DesheBideshe


চট্টগ্রামে তীব্র বিদ্যুৎ সংকট: বন্ধ ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র, ভোগান্তিতে নগরবাসী – DesheBideshe

চট্টগ্রাম, ১৮ এপ্রিল – চট্টগ্রামে জ্বালানি সংকটের কারণে ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এর ফলে নগরের বিভিন্ন এলাকায় পাল্লা দিয়ে বেড়েছে লোডশেডিং। তীব্র গরমে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি দেখা দিয়েছে তীব্র পানির সংকটও।

পিডিবি ও চট্টগ্রাম সিস্টেম কন্ট্রোল (স্কাডা) সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল প্রায় ১ হাজার ২১১ মেগাওয়াট। উৎপাদিত বিদ্যুতের একটি বড় অংশ জাতীয় গ্রিডে চলে যাওয়ায় স্থানীয়ভাবে ব্যাপক লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

বর্তমানে চট্টগ্রামের ২৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে ১০টি কেন্দ্র থেকে কোনো উৎপাদন হচ্ছে না। এর মধ্যে রাউজান ও জুলধার মতো বড় কেন্দ্রগুলোও রয়েছে। বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র মাতারবাড়ী কোল পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকেও উৎপাদন আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে বর্তমানে মাত্র দুটি সচল রয়েছে।

বর্তমানে নগরের বিদ্যুৎ সরবরাহ মূলত বাঁশখালীর এসএস পাওয়ার প্ল্যান্ট এবং শিকলবাহা কেন্দ্রের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

নগরীর চকবাজার, বহদ্দারহাট, আগ্রাবাদসহ বিভিন্ন এলাকায় দিনে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। বিদ্যুৎ না থাকায় ওয়াসার পাম্পগুলো পানি তুলতে পারছে না, ফলে অনেক এলাকায় হাহাকার শুরু হয়েছে।

পিডিবির চট্টগ্রাম স্কাডা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফাহমিদা জামান জানান, গ্যাস ও জ্বালানি সংকটের কারণেই মূলত এই বিপর্যয়। পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে লোডশেডিংয়ের মাত্রা ওঠানামা করছে।

সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, গরম আরও বাড়লে বিদ্যুতের এই সংকট আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

এনএন/ ১৮ এপ্রিল ২০২৬