পরিবারের সদস্যরা জানান, নিহত আজম নিজ ঘরেই কাপড় সেলাইয়ের কাজ করে সংসার চালাতেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা এ হত্যাকাণ্ডের নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা। জানতে চাইলে হাটহাজারীর মেখল ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মুহাম্মদ সৈয়দ মিয়া বলেন, একই এলাকার কিছু লোকজনের সঙ্গে বিরোধ থেকে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রশাসন জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তি নিশ্চিত করবে, এটাই এলাকাবাসীর চাওয়া।
হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) তারেক আজিজ মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, নিহত মুহাম্মদ আজম পুলিশের সোর্স ছিলেন। এলাকার কয়েকজন বাসিন্দাদের সঙ্গে পূর্ববিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে। তাঁর পায়ে গুলি ও শরীরের বিভিন্ন অংশে কোপানোর আঘাত পাওয়া গেছে।




