চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির পূর্বাভাস দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
মঙ্গলবার ৭ জুলাই বন্যা তথ্য কেন্দ্রের সবশেষ বার্তায় বৃষ্টিপাত এবং নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির পরিস্থিতিও জানানো হয়। এই সময়ে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে সব থেকে বেশি বৃষ্টিপাত, ২৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।
বন্যা তথ্য কেন্দ্রের পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় বান্দরবান, কক্সবাজার, ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি জেলার কিছু কিছু স্থানে নদনদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।
যার ফলে এসব অঞ্চলের নদী সংলগ্ন নিচু এলাকায় স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
এছাড়া উজানে ভারতের আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং পশ্চিমবঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস থাকায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার নদনদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।
এসব জেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
এছাড়া রংপুরের তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান বলছেন, আগামী তিন থেকে চার দিন ভারীবৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস থাকায় দেশের উত্তর ও দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় নদনদীর পানি বেড়ে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
তবে, “তিন থেকে চারদিন পর বৃষ্টির মাত্রা কমে আসার সঙ্গে সঙ্গে নদ-নদীর পানিও কমতে শুরু করবে। ফলে এখনই বন্যা স্থায়ী রূপ নেওয়ার শঙ্কা কম,” বিবিসি বাংলাকে বলেন তিনি।





