চাকরি ছেড়ে মহিষের খামার গড়ে পাল্টে গেল মহসীনের জীবন

খামারে গরু-মহিষকে খড়, ভুসি, খইল, নেপিয়ার ঘাস, প্রাকৃতিক ঘাস ও সাইলেজ (সাইলেজ হলো ভুট্টাগাছ কেটে বিশেষ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা পশুখাদ্য) খাওয়ানো হয়।

সেখানে কথা হয় খামারের কর্মী দেবনাথ রায়ের সঙ্গেও। তিনি বলেন, প্রতিটি গরু ও মহিষকে দৈনিক ১২ থেকে ২২ কেজি পর্যন্ত খাদ্য দেওয়া হয়। খামারের গুদামে ড্রাম, হাউস ও বস্তায় দুই থেকে আড়াই মাসের খাদ্য সব সময় মজুত থাকে। প্রায় আট বিঘা জমিতে মহাজন নিজেই নেপিয়ার ঘাস চাষ করেন। পাশাপাশি স্থানীয় কয়েকজন নিয়মিত ঘাস সরবরাহ করেন।

বর্তমানে খামারের গরুগুলোর ওজন প্রায় ১০০ থেকে ৪০০ কেজি এবং মহিষগুলোর ওজন ২৫০ থেকে ৫০০ কেজির মধ্যে। তিন মাস পরপর স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে পশু বিক্রি করেন মহসীন। এরপর কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, রাজশাহীর সিটি হাটসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে তুলনামূলক কম মূল্যে গরু-মহিষ কিনে এনে মোটাতাজ করে আবার বিক্রি করেন।