জাতীয়করণ হওয়া দেশের বিভিন্ন কলেজের ৬৯০ জন প্রভাষককে জাতীয়করণের আগে তারা যে সপ্তম গ্রেডে বেতন পেতেন, সেই গ্রেড দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট।
তিন বছর আগে করা একটি রিট মামলার চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম ও বিচারপতি মুরাদ-এ-মওলা সোহেলের হাই কোর্ট বেঞ্চ সোমবার(১০ আগস্ট) এ সংক্রান্ত রুল নিষ্পত্তি করে রায় দেয়।
রিট আবেদনকারীদের আইনজীবী মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, “জাতীয়করণ হওয়া শিক্ষকেরা যে বৈষম্যের শিকার হয়েছিলেন, আদালতের এ রায়ের মাধ্যমে তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন এবং তাদের অধিকার ফিরে পেয়েছেন।”
পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন এই আইনজীবী।
মামলার তথ্য দিয়ে সিদ্দিক উল্লাহ জানান, জাতীয়করণ হওয়া দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬৯০ জন প্রভাষক জাতীয়করণের আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সপ্তম গ্রেডে বেতন পেতেন।
তবে জাতীয়করণের পর তাদের গ্রেড কমিয়ে নবম গ্রেড করা হয়। তাতে চাকরির অধিকার ও সংবিধানে দেওয়া মৌলিক অধিকার ‘ক্ষুণ্ন’ হয়েছে দাবি করে ২০২৩ সালে হাই কোর্টে রিট মামলা করেন তারা।
প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত রুল জারি করে। পরে ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে সোমবার রায় দেওয়া হল।
আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী মো. আতিকুর রহমান ও মো. হারুনুর রশীদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জামালুর রহিম খান।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
এর আগে একই ধরনের একটি রিট মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ১১ জুলাই ৪৫ জন প্রভাষকের পক্ষে রায় দিয়েছিল হাই কোর্ট।




