জাতীয় স্কুল ক্রিকেটের ১১তম আসর শুরু হচ্ছে শুক্রবার। বৃহস্পতিবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আসরের পৃষ্ঠপোষকতা করছে প্রাইম ব্যাংক। জার্সি উন্মোচনের সাথে গত আসরের বাছাইকৃত ২৫ খেলোয়াড়কে বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।
বাংলাদেশের ৬৪ জেলার ৩৪৭টি স্কুল এবারের আসরে অংশগ্রহণ করবে। সব স্কুল মিলে আসরে ক্ষুদে ক্রিকেটারদের মোট সংখ্যা দাঁড়াবে ৯ হাজারে। আসরে মোট ম্যাচ হবে ৬৫১টি। প্রথমদিন শুরু হবে জেলা পর্যায়ের খেলা, তারপর বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ের ম্যাচ হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক ও সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাসার সুমন, টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, মিডল অর্ডার ব্যাটার তাওহীদ হৃদয় এবং প্রাইম ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর নাজিম এ চৌধুরী।
বাংলাদেশে জাতীয় স্কুল পর্যায়ের ক্রিকেট শুরু হয়েছে ২০১৫ সালে। প্রতিবছর প্রাইম ব্যাংক ন্যাশনাল স্কুল ক্রিকেটের মৌসুম শেষে, বিসিবির বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের নির্বাচকদের নির্বাচনের ভিত্তিতে সেরা ১৫ ক্রিকেটারকে বৃত্তি দিয়ে আসছে ব্যাংকটি। বিসিবির অনুরোধে বৃত্তি সংখ্যা এবছর ১৫ থেকে ২৫ করা হয়েছে। স্কলারশিপের পরিমাণও বছরে ৬০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে।




