জ্বালানি তেলের বাড়তি চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি

জ্বালানি তেলের বাড়তি চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি

উত্তরার একটি পেট্রলপাম্পের ব্যবস্থাপক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দিনে ১৮ হাজার লিটার অকটেন নেন তিনি। বেলা তিনটায় বিক্রি শুরু করলে সাতটার মধ্যে শেষ হয়ে যায়। আগে সারা দিনেও এ পরিমাণ তেল বিক্রি করা যেত না। এত তেল কোথায় যাচ্ছে, বুঝতে পারছেন না। তবে সোমবার তিনি কয়েকজন মোটরসাইকেলচালককে শনাক্ত করেছেন, যাঁরা টানা তিন দিন ধরে তেল নিচ্ছেন।

মোহাম্মদপুর এলাকার একটি পাম্পের ব্যবস্থাপক বলেন, তেল নিয়ে বাইরে বিক্রি না করলে এত চাহিদা হওয়ার কথা নয়।

বিপিসি সূত্র বলছে, ৬ এপ্রিলের হিসাবে, দেশে ডিজেলের মজুত আছে ১ লাখ ৩২ হাজার ২২৮ টন। পেট্রলের মজুত আছে ১৬ হাজার ৩০ টন এবং অকটেনের মজুত আছে ১০ হাজার ৫২৬ টন। পেট্রল শতভাগ দেশে উৎপাদিত হয়। আর অকটেনের চাহিদার ৫০ শতাংশ আমদানি করা হয়। আজ বুধবার রাতে ২৫ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। এ মাসে ডিজেল নিয়েও কয়েকটি জাহাজ আসার কথা।

তেল কোম্পানির কর্মকর্তারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর আগে কোনো পাম্প সপ্তাহে এক দিন তেল নিত, এখন ৭ দিন তেল নিচ্ছে তারা।