উখিয়া-৬৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাতে রাখাইনের অভ্যন্তরে বিমান হামলার শব্দ শোনা গেলেও আজ সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত তেমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। সীমান্ত পরিস্থিতি কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নাফ নদীতে অতিরিক্ত টহল দেওয়া হচ্ছে। আজ বিকেল পর্যন্ত সীমান্তে গুলি এসে পড়া বা অনুপ্রবেশের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
সবরাং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান বলেন, সংঘাত আরও বাড়লে নতুন করে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা শুরু হতে পারে। একই আশঙ্কার কথা জানান হোয়াইক্যং ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শাহজালাল চৌধুরীও।
উখিয়ার একটি রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের নেতা মো. জুবায়েরের দাবি, হামলায় বহু ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং কয়েক হাজার রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। একই সময়ে স্থলপথে আরাকান আর্মির সঙ্গে তিনটি রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘর্ষও চলছে। এতে পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। তিনি আশঙ্কা করেন, যুদ্ধের তীব্রতা বাড়লে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রয়ের চেষ্টা করতে পারে।




