সামিরা মুনশি মিডল ইস্ট আইকে বলেন, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি যখন কমিশনের কাছে সাক্ষ্য দেন, তখন থেকেই তাঁকে কোণঠাসা করে রাখা হয়েছে। ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের চালানো হত্যাকাণ্ড নিয়ে স্কুলগুলোতে প্রতিবাদ জানানোর অধিকার সুরক্ষিত রাখতে তিনি ওই সাক্ষ্য দিয়েছিলেন।
সামিরা বলেন, ‘ফিলিস্তিনের বিষয় নিয়ে আমি যখন সাক্ষ্য দিলাম, এর পর থেকে প্রতিটি শুনানির আগে আমাকে সাক্ষীর তালিকা দেওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। আমি জানি না যে এটা আকস্মিক কোনো ঘটনা, নাকি সংস্থার ভুল, যোগাযোগের সমস্যা নাকি তারা আমার সাক্ষ্যকে আমার বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে।’
তবে সেই বৈঠকের পরই ক্যারি প্রেজিয়ান-বোলারই সর্বপ্রথম সামিরা মুনশির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ দুই নারীর মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে।




