এ ঘটনার কিছুদিন পর একজন পারজিয়ালকে তাঁর হারিয়ে যাওয়া পোষা প্রাণী খুঁজে দেওয়ার অনুরোধ জানান। সেই অভিযানে সফল হওয়ার পরই তিনি চারপেয়ে এই পোষা প্রাণীদের খুঁজে বের করার কাজে নজর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
পারজিয়াল জানান, ‘ধীরে ধীরে আমাদের পুরো কাজটিই প্রাণীদের ঘিরে গড়ে ওঠে। কারণ, আমি এই কাজে বেশ দক্ষ হয়ে উঠেছিলাম।’ তাঁর এই অলাভজনক সংস্থার সাফল্যের গল্প ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাজও দ্রুত বাড়তে থাকে।
পারজিয়াল একজন পেশাদার ও অনুমোদিত ড্রোন পাইলট। ‘গো–ফান্ড–মি’ নামের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আসা অনুদান থেকে তিনি বয়স্ক মানুষের হারিয়ে যাওয়া পোষা প্রাণী খোঁজার খরচ জোগান। কারণ, অনেক সময় এই প্রিয় প্রাণীরাই তাঁদের একমাত্র সঙ্গী হয়ে থাকে। পুরো বিষয়টিই তিনি জনসেবা হিসেবে করেন। পারজিয়াল বলেন, মানুষের দেওয়া প্রতিটি টাকা এই উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা হয়।
পারজিয়ালের দুই ছেলে। ২৭ বছর বয়সী মাইকেল জন ও ১৭ বছর বয়সী জোনাথন এবং পাঁচ–ছয়জনের একটি স্বেচ্ছাসেবক দল নিয়ে কাজ পরিচালনা করেন। তিনি জানান, হারিয়ে যাওয়া প্রিয় পোষা প্রাণীকে ফিরে পাওয়ার পর মালিকদের চোখে আনন্দের কান্না দেখা যায়।
উদ্ধার করা এক প্রাণীর মালিকের কথা মনে করে পারজিয়াল বলেন, ‘এক নারী তো খুশিতে আমার কাঁধে মাথা রেখে এত কান্না করেছিলেন যে আমার শার্ট ভিজে গিয়েছিল। এই মানুষগুলোর কাছে পোষা প্রাণী আসলে নিজের সন্তানের মতোই।’




