৪০ বছরের চেষ্টায় ইরান আসলে কত ধরনের ড্রোন বানিয়েছে, তার সঠিক তথ্য কোথাও পাওয়া যায় না। তবে মোহাজির, আবাবিল ছাড়াও ২০১০ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে আরও অন্তত ১৩ ধরনের ড্রোন বানিয়েছে ইরান। এর মধ্যে ফোতরোস, হামায়েস, কামান, কারার, মেরাজ, সারির, নাজির, রাদ, সিরাফ, মাহি, ইয়সির নামের ড্রোন আছে ইরানের ভান্ডারে।
এসব ড্রোনের প্রতিটার আবার আলাদা আলাদা মডেল আছে। যেমন শাহেদ ড্রোনের কথা বলা যেতে পারে। এর আটটি মডেলের নাম আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেই পাওয়া যায়। যেমন শাহেদ-১০১, শাহেদ-১০৭, শাহেদ-১২১, শাহেদ-১২৯, শাহেদ-১৩৬, শাহেদ-১৩১, শাহেদ-১৯১, শাহেদ-১৭১, শাহেদ-২৩৮। এই প্রতিটি ড্রোন ইরানের সামরিক ক্ষমতা বাড়িয়েছে। প্রয়োজনে বিভিন্ন সময় ব্যবহার করছে বিভিন্ন ড্রোন, যা বেকায়দায় ফেলে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে।




