বিরোধী দল গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য সংসদের ভেতরে ও বাইরে চেষ্টা চালাচ্ছে উল্লেখ করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, বিরোধী দলের লংমার্চের উদ্দেশ্য হলো মানুষকে জানানো, বিএনপি জাতির সঙ্গে বেইমানি করছে, বিশ্বাসঘাতকতা করছে এবং একই আইনের দুই রকম ব্যাখ্যা দিচ্ছে।
বিরোধীদলীয় উপনেতা আরও বলেন, ‘আজকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় বলেছিলেন দুর্নীতির ব্যাপারে জিরো টলারেন্স। এখন আমরা দেখছি জিরোটা আছে; কিন্তু তার বাঁয়ে আরও ১০০ যোগ হয়ে গেছে। তাইলে কত হয়? ১০০০ হয়। সেই হারেই দুর্নীতি চলছে।’
চাঁদাবাজি কোনোভাবেই প্রধানমন্ত্রীর জানার বাইরে হতে পারে না বলে মন্তব্য করেন তাহের। তিনি বলেন, ‘যেখানে জিরো টলারেন্স, সেখানে দুর্নীতি আরও লাফায় লাফায় বাড়তেছে।’
সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে নিজেদের মতো করে বিল পাস করছে অভিযোগ করে আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, ‘আমরা সেটার দায়িত্ব নিতে চাই না। জনগণের সঙ্গে যে বিট্রায়াল, এটার আমরা শরিক হইতে চাই না। আমরা আগেও প্রটেস্ট করেছি জনগণের জন্য, আজকেও জনগণের স্বার্থে আমরা এই বিলে কোনো ধরনের ডিসকাশন, হিয়ারিং বা কোনো কিছুতে পার্টিসিপেট না করে আমরা বয়কট করে আসছি।’

