শুনানিতে যা হলো
গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শামসুজ্জামানকে ঢাকার সিএমএম আদালতে নিয়ে আসে রমনা থানা-পুলিশ। পরে তাঁকে রাখা হয় আদালতের হাজতখানায়। বেলা দুইটার দিকে তাঁকে আদালতের এজলাসে তোলা হয়।
রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অভিযোগে একজন ব্যক্তি কী করে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন, শুনানিতে সেই প্রশ্ন তোলেন শামসুজ্জামানের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যেসব ধারায় এই মামলা করা হয়েছে, সেগুলো বিশ্লেষণ করে তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অভিযোগে যে মামলা, সেখানে রাষ্ট্র তো কোনো অভিযোগ করেনি। সুতরাং মামলাটি আইনত ত্রুটিপূর্ণ। ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাংবাদিক শামসুজ্জামানের জামিন মঞ্জুর করার আবেদন জানান তিনি।
এর আগে আইনজীবী প্রশান্ত কুমার কর্মকার শুনানিতে বলেন, সাংবাদিক শামসুজ্জামানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা ভিত্তিহীন। এই মামলার এজাহারে যে ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তা সঠিক নয়।
শামসুজ্জামানের পক্ষে আদালতে আরও উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী মাহবুবুল হক, আশরাফ-উল-আলম, চৈতন্য চন্দ্র হালদার, সুমন কুমার রায়, বাহাউদ্দিন ইমরান। বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) হয়ে আইনজীবী মশিউর রহমানও শামসুজ্জামানের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
শুনানিতে জামিনের বিরোধিতা করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অপরাধ ও তথ্য বিভাগের উপপরিদর্শক নিজাম উদ্দিন ফকির।



