অন্যদিকে লোকাল বাসের কন্ডাক্টররা ইঞ্জিনের বনেটে বসে ভাড়ার অলৌকিক বীজগণিত কষছেন—তেলের চড়া দামের উসিলায় ভাড়া কয়েক গুণ বাড়িয়ে কীভাবে আমজনতার পকেটের বাড়তি বোঝা এক ঝটকায় হালকা করে দেওয়া যায়!
রাস্তার মোড়ে মোড়ে চায়ের টঙে এখন শুধুই এই মহামূল্যবান তেলের কথকতা। এক চশমা পরা সুশীল ভাবুক চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে বলছেন, ‘বুঝলেন ভাই, দেশের পরিবেশ রক্ষা আর জনগণের ভুঁড়ি ছাঁটাইয়ের জন্য দামটা আরও কয়েক হাজার গুণ বাড়ানো দরকার ছিল! তাহলে রাস্তায় আর কোনো ক্ষতিকর যানই নামত না, পুরো জাতি প্রতিদিন দৌড়ে দৌড়ে অফিসে যেত আর একাই অলিম্পিকের সব সোনা জয় করে আনত!’
ভার্চ্যুয়াল জগতেও এই রূপকথা নিয়ে প্রশংসার তোলপাড়।
এক ভুক্তভোগী সকাতরে লিখেছেন,




