দাগনভূঞায় ২টি খাল খননের ৬০ শতাংশ টাকাই ফেরত

দাগনভূঞায় ২টি খাল খননের ৬০ শতাংশ টাকাই ফেরত

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় রাজাপুর বিরলী খাল ও সিলোনিয়া খাল পুনঃখনন বা সংস্কার প্রকল্পে বরাদ্দের অর্ধেকেরও বেশি টাকা অব্যবহৃত অবস্থায় সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। ১ কোটি ৩ লাখ টাকার বেশি বরাদ্দের মধ্যে খরচ হয়েছে মাত্র প্রায় ৪২ লাখ টাকা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজাপুর বিরলী খালের এক কিলোমিটার ও সিলোনিয়া খালের দুই কিলোমিটার নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে ১ কোটি ৩ লাখ ৭ হাজার ৯৯০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত মেয়াদে খাল দুটির সংস্কার বা পুনঃখনন কাজ শেষে মোট খরচ দেখানো হয়েছে ৪১ লাখ ৮৭ হাজার ৩৪৩ টাকা।

ফলে বরাদ্দের প্রায় ৬০ শতাংশ, অর্থাৎ ৬১ লাখ ২০ হাজার ৬৪৭ টাকা অব্যবহৃত থেকে যায় এবং সরকারি ফান্ডে ফেরত পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষক আবদুল গনি জানান, খাল খনন করা হয়েছে, আমাদের কৃষিকাজে পানির সংকট আশা করি থাকবে না এবং বর্ষায়ও ফসলি জমি ডুববে না।

বরাদ্দের বড় একটি অংশ ফেরত যাওয়ার বিষয়ে দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিদুল ইসলাম বলেন, নিয়ম অনুযায়ী যতটুকু কাজের প্রয়োজন ছিল এবং পরিমাপ করা গেছে, সে পরিমাণ কাজই সম্পন্ন করা হয়েছে। কাজ যতটুকু হয়েছে, তার ভিত্তিতেই বিল দেওয়া হয়েছে।

ফলে অতিরিক্ত টাকা সরকারি নিয়মানুযায়ী ফেরত গেছে।

আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এমন সততাকে দেশের অন্য এলাকার জন্য অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। অনেকে বলছেন এভাবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকলে সরকারের অর্থ অপচয় রোধ ও কাজের মান ভালো হবে।