আয়রসের যুক্তি, জরুরিভিত্তিতে আলামত সংরক্ষণের জন্য নতুন করে আদালতের আদেশের প্রয়োজন নেই। কারণ, আইন অনুযায়ী অঙ্গরাজ্য এমনিতেই এসব আলামত সংরক্ষণ করতে বাধ্য।
তারপরও বিচারক নির্দেশ দেন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টার সময় মূল কক্ষে থাকা সবকিছু সংরক্ষণ করতে ও যথাযথভাবে রাখতে হবে। এর মধ্যে শিরায় ওষুধ দেওয়ার নল, সিরিঞ্জ ও ফেলে দেওয়া বিভিন্ন জিনিসও থাকবে।
৩০ সেপ্টেম্বর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টার আগে, ওই সময় এবং পরে পাইকের মানসিক অবস্থার বিস্তারিত তথ্য দিতেও অঙ্গরাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো তথ্য যেন হারিয়ে না যায় বা ভুল করে মুছে না ফেলা হয়, সে বিষয়ে অঙ্গরাজ্যকে ‘বিশেষ সতর্ক’ থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
পাইকের মৃত্যুদণ্ড আবার কবে কার্যকর করা হবে, তা জানতে বিচারক অঙ্গরাজ্য সরকারের আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন। জবাবে আয়রস বলেন, এ বিষয়ে তাঁর কোনো তথ্য জানা নেই।
টেনেসির গভর্নর বিল লি এ বছর বাকি সময়ের জন্য অঙ্গরাজ্যে সব মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। কীভাবে ওই ঘটনা ঘটল, সে বিষয়েও তিনি বিস্তারিত জানতে চান। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থতার পর অঙ্গরাজ্যের কারা বিভাগের প্রধানও পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।




