মসজিদের চত্বরে মূল ফটকের সামনে একটি প্রাচীন ইঁদারা (কুয়া) এখনো টিকে আছে। অতীতে এখান থেকে মসজিদের প্রয়োজনীয় পানি সংগ্রহ করা হতো। তবে দীর্ঘদিন ধরে এটি আর ব্যবহার করা হয় না। বর্তমানে মুসল্লিদের ওজু ও অন্যান্য প্রয়োজনে বিকল্প পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, মসজিদের সামনে ওই প্রাচীন ইঁদারার পাশে দুটি লোহার দণ্ডে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের একটি সাইনবোর্ড লাগানো আছে। সাইনবোর্ডে উল্লেখ আছে, এটি একটি সংরক্ষিত প্রত্নসম্পদ এবং আইন লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের প্রত্নসম্পদ ও সংরক্ষণ শাখার ওয়েবসাইটে গিলাবাড়ি ঐতিহাসিক প্রাচীন মসজিদ সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়েছে। সেখানে উল্লেখ আছে, ২০২২ সালের ১ আগস্ট জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে মসজিদটিকে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। গিলাবাড়ি ঐতিহাসিক প্রাচীন মসজিদটি সম্ভবত মোগল আমলে নির্মিত এবং এটি তিন গম্বুজবিশিষ্ট একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। এর কাঠামো ইট, চুন ও সুরকির গাঁথুনিতে নির্মিত।




