বলা বাহুল্য, ইসরায়েলের বিরোধী রাজনীতিকেরা ব্যাপারটি ভালো চোখে দেখেননি। আইজেনকট বলেছেন, নির্বাচনে যেন কোনো হস্তক্ষেপ না হয়, সে অনুরোধ তিনি জানিয়েছিলেন। কে প্রধানমন্ত্রী হবেন, তার সিদ্ধান্ত ইসরায়েলি ভোটাররাই নেবেন। আরেক বিরোধী নেতা আভিগদর লিবারম্যান আরও কঠোর। তাঁর অভিযোগ, নেতানিয়াহুকে পুতুলের মতো ব্যবহার করে ইসরায়েল চালানো ট্রাম্পের জন্য সুবিধাজনক।
তবে ট্রাম্পের এই সমর্থনে নেতানিয়াহুর নির্বাচনী পালে কতটা হাওয়া লাগবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। সমর্থন ঘোষণার পরদিন চ্যানেল টুয়েলভের জরিপে তাঁর দলের পক্ষে তাৎক্ষণিক কোনো বাড়তি সুবিধা দেখা যায়নি। অধিকাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, ট্রাম্পের বক্তব্য তাঁদের ভোটের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলবে না।
ইসরায়েলের দৈনিক হারেৎজ–এর ইংরেজি সংস্করণের সম্পাদক ইশাই হালপারও বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখছেন না। তাঁর যুক্তি, ট্রাম্প যে নেতানিয়াহুর পক্ষে, তা প্রায় সবারই জানা। চমক হলো, এত দিন পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থনটি জানালেন। কিন্তু তাতে ডান বা বাম শিবিরের ভোটাররা উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় নিজেদের সিদ্ধান্ত বদলাবেন বলে তাঁর মনে হয় না।




