গত ২৭ মার্চ প্রতিপক্ষের দুই দফা হামলায় গুরুতর আহত হন ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের আগমারকেন্ডা গ্রামের আলম খানের স্ত্রী ঝর্ণা আক্তার (৩৭)। ২৯ মার্চ রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঝর্ণা আক্তারের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় গত ৩০ মার্চ নিহত গৃহবধূর ভাই রুহুল আমিন বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। এএসআই ফিরোজ খান ওই মামলার দুই নম্বর আসামি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে আলম খানের সঙ্গে তাঁর চাচাতো ভাই খোয়াজ খানের বিরোধ চলছিল। এর মধ্যে গত ২৬ মার্চ সন্ধ্যায় খোয়াজ খান তাঁদের পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাঁর মেয়ে তামান্না আক্তারকে (১৭) মারধর করতে থাকেন। এ সময় আলম খানের স্ত্রী ঝর্ণা আক্তার সেখানে গিয়ে খোয়াজ খানকে আটকাতে গেলে খোয়াজ খান ঝর্ণাকেও মারধর করেন। পরদিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে দুই পক্ষে মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। এর একপর্যায়ে প্রতিপক্ষ খোয়াজ খান ও তাঁর লোকজন দেশীয় অস্ত্র রামদা, রড, লাঠিসোঁটা নিয়ে আলমের পরিবারের লোকজনের ওপর হামলা চালান। এ সময় আলমের স্ত্রী ঝর্ণা আক্তার, ছেলে তামিম খান, ভাই পাপন খান, ভাইয়ের ছেলে মাহাবুব খান ও সাকিব খান গুরুতর আহত হন। পরে তাঁদের উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে প্রতিপক্ষের লোকজন রাত ১১টার দিকে ফের হামলা চালান।



