পিএসসিকে এমন একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে, যেখানে একজন চাকরিপ্রার্থী নিশ্চিত থাকতে পারেন যে তাঁর মেধার মূল্যায়ন হবে স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগতভাবে। পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতা কমানো, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় আস্থা বাড়ানো এবং প্রতিষ্ঠানটিকে রাজনৈতিক বা অন্য যেকোনো অযাচিত প্রভাব থেকে দূরে রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।
আমার কাছে অধ্যাপক মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়ার নিয়োগের সবচেয়ে ইতিবাচক বার্তা এখানেই—রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব শুধু প্রচলিত প্রশাসনিক বলয়ের মধ্যেই খুঁজতে হবে, এমন ধারণা থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। তবে সেই সুযোগ সফল হয়েছে কি না, সেটি আজই বলা সম্ভব নয়।
শেষ পর্যন্ত তাঁর পরিচয় ‘শিক্ষক’ নাকি ‘আমলা’, সেটি বড় কথা হবে না। বড় কথা হবে, তাঁর নেতৃত্বে পিএসসি কতটা স্বাধীন, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠতে পারে। যদি একজন মেধাবী তরুণ কোনো প্রভাব বা পরিচয় ছাড়াই নিজের যোগ্যতার ওপর ভর করে রাষ্ট্রের চাকরিতে প্রবেশ করতে পারেন, তাহলেই এ নিয়োগের প্রকৃত সাফল্য খুঁজে পাওয়া যাবে।
লেখক: যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মন্টানার সাংবাদিকতা বিভাগে অধ্যয়নরত
*মতামত লেখকের নিজস্ব


