অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ বলেন, পেট্রল, ডিজেল ও জেট ফুয়েলের সরবরাহে কোনো ঘাটতি হবে না, তা সরকার নিশ্চিত করবে। তিনি আরও জানান, তেল বিপণন কোম্পানিগুলোকে সহায়তা করা হবে; যাতে নাগরিকদের ওপর মূল্যবৃদ্ধির চাপ না পড়ে এবং বিমানের জ্বালানির দামও না বাড়ে।
ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ। তাদের অধিকাংশ জ্বালানি আমদানিনির্ভর।
এদিকে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে জানানো হয়, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতে তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহ ২০ শতাংশ বাড়ানো হবে, ফলে মোট সরবরাহ সংকট–পূর্ব সময়ের ৭০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাবে।




