বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সমাবর্তনের সিদ্ধান্ত হলে শিক্ষার্থীদের ফলাফল যাচাই, সনদ প্রস্তুত ও অন্যান্য একাডেমিক কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলেই সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো কাজ শুরু করবে।
বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীন এ বছরের মার্চে বিশ্ববিদ্যালয়ের অষ্টম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রত্যাশা পূরণে কাজ করার কথা জানিয়েছে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতির উপস্থিতির সঙ্গে নিরাপত্তার বিষয়টিও জড়িত থাকায় তাঁর সময়সূচিকে গুরুত্ব দিতে হয়। প্রাথমিকভাবে আগামী বছরের ৩০ জানুয়ারি দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে যথাসময়েই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হবে। কিন্তু বিশেষ প্রয়োজনে এই তারিখ পরিবর্তিত হতে পারে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে যথাসময়েই সমাবর্তন আয়োজনের সার্বিক প্রচেষ্টা থাকবে।
দ্বিতীয় সমাবর্তনের ক্ষেত্রে এখন তাই মূল অপেক্ষা রাষ্ট্রপতির সময়সূচি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক উদ্যোগের। প্রায় ২১ হাজার শিক্ষার্থীকে নিয়ে বড় পরিসরে সমাবর্তন আয়োজন করতে হলে ভেন্যু, নিরাপত্তা, সনদ প্রস্তুত, নিবন্ধন ও ব্যবস্থাপনার মতো বিষয়গুলোও আগে থেকে পরিকল্পনা করতে হবে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর দ্বিতীয় সমাবর্তনের আয়োজন কবে হবে—এখন সেটিই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের প্রধান আগ্রহ।


