
নতুন মুখের অভিনয় নিয়ে দর্শকের আগ্রহ বরাবরই থাকে। সেই আগ্রহের জায়গা থেকে আলোচনায় এসেছে নির্মাতা মাসুম শাহরিয়ারের নাটক ‘তুমি তো চলেই যাবে’। নাটকটিতে খায়রুল বাসারের বিপরীতে অভিনয়ের মাধ্যমে অভিষেক হয়েছে অর্পিতা মিত্রের।
প্রথম কাজেই তার অভিনয় দর্শকের প্রশংসা কুড়িয়েছে। নাটকে ‘ঊর্বী’ চরিত্রে দেখা গেছে অর্পিতাকে। রীতিমতো অডিশন দিয়ে চরিত্রটি পেয়েছিলেন তিনি। এর আগে থিয়েটার কিংবা অভিনয়ের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা না থাকলেও চরিত্রটির জন্য নির্মাতা তাকে প্রায় এক মাস প্রস্তুত করেন। সেই প্রস্তুতির প্রতিফলন দেখা গেছে পর্দায়- এমনটাই মনে করছেন দর্শকদের অনেকে।
বিশেষ করে অর্পিতার স্বাভাবিক অভিনয়, সংলাপ বলার ধরন এবং চোখেমুখের অভিব্যক্তি দর্শকের নজর কেড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নাটকটি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে অনেকেই তার অভিনয়ের সাবলীলতা ও চরিত্রের আবেগ প্রকাশের প্রশংসা করেছেন। প্রথম কাজেই নতুন এই অভিনেত্রীর এমন উপস্থিতিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন দর্শকরা।
অন্যদিকে সংগীততারকা হিসেবে খায়রুল বাসারের অভিনয়ও নাটকটির অন্যতম শক্তিশালী দিক হিসেবে উঠে এসেছে।
অভিজ্ঞ এই অভিনেতার বিপরীতে একেবারে নতুন একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে অর্পিতার কাজ করাটা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তবে দুই অভিনয়শিল্পীর পর্দার রসায়ন ও দৃশ্যের আবেগ নাটকটিকে আরও প্রাণবন্ত করেছে বলে দর্শকদের প্রতিক্রিয়ায় উঠে এসেছে।
অর্পিতা নিজেও প্রথম কাজেই পাওয়া ভালোবাসায় উচ্ছ্বসিত। তিনি জানিয়েছেন, এতটা প্রশংসা ও ভালোবাসা পাবেন, তা ভাবেননি। একই সঙ্গে সহশিল্পী খায়রুল বাসার ও পুরো টিমের সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।
অর্পিতার ভাষ্য অনুযায়ী, শুটিংয়ের সময় খায়রুল বাসার বিভিন্ন জায়গায় তাকে সহযোগিতা করেছেন এবং ভুল হলে বুঝিয়ে দিয়েছেন।
প্রতিবেদক
চ্যানেল আই অনলাইন
চ্যানেল আই অনলাইন
আরও পড়ুন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…
