চার দশকের বেশি সময় পর আবারও বড় পর্দায় ফিরেছে ‘সুপারগার্ল’। ১৯৮৪ সালের পর নতুন আঙ্গিকে নির্মিত এই সিনেমাটি গেল ২৬ জুন বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেয়েছে। যার পরিচালনা করেছেন ক্রেইগ গিলেস্পি।
জানা গেছে, মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তে ছবিটির আয় মাত্র ৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার! এর মধ্যে উত্তর আমেরিকার বাজার থেকে এসেছে ৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার। যা প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম।
যত দিন যাচ্ছে, ‘সুপারগার্ল’-এর আয়ের হারও কমছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোকসানের ঝুঁকি। ভ্যারাইটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছবিটি ১০০ থেকে ১২০ মিলিয়ন ডলারের লোকসান গুনতে পারে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকারও বেশি।
লোকসানের এই ঝুঁকির পেছনে ছবির দুর্বল চিত্রনাট্য ও পরিচালনা যেমন দায়ী, তেমনি দায়ী করা হচ্ছে অঢেল বাজেটকেও। প্রায় ১৭ কোটি ডলারের নির্মাণ ব্যয়, সঙ্গে ১২ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থের প্রচারণা; সবমিলিয়ে প্রায় ৩০ কোটি ডলারের লগ্নি। যেটা তুলে আনা ‘সুপারগার্ল’-এর পক্ষে প্রায় অসম্ভব।
এর মধ্যেই আবার আগামী সপ্তাহে মুক্তি পাচ্ছে ইউনিভার্সাল পিকচার্সের তুমুল জনপ্রিয় অ্যানিমেটেড ফ্র্যাঞ্চাইজির ছবি ‘মিনিয়নস অ্যান্ড মনস্টারস’। আবার জুলাই মাসেই রয়েছে ডিজনির লাইভ অ্যাকশন ছবি ‘মোয়ানা’, ক্রিস্টোফার নোলানের ‘দ্য ওডিসি’ ও সনি পিকচার্সের ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’র মতো বড় বড় ছবির মুক্তি। সবমিলিয়ে ‘সুপারগার্ল’-এর অবস্থার উন্নতির কোনো সম্ভাবনা আর নেই।




