রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করে আসছেন জার্মানির ব্রেমেন ইউনিভার্সিটির গবেষক নিকোলাই মিত্রোখিন। তিনি আল–জাজিরাকে বলেন, ‘ঘটনাগুলো হঠাৎ করে ঘটছে। দৃশ্যত বাহ্যিক কোনো কারণ দেখা যাচ্ছে না।’
এই গবেষক আরও বলেন, ‘বড় কিছু ঘটতে যাচ্ছে। পারমাণবিক অস্ত্র সরবরাহসহ এ ঘটনাগুলো সাধারণত আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও গণমাধ্যমের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে।’
মহড়ার জন্য মস্কো মিনস্ককে বিশেষ সংস্করণের সু-২৫ যুদ্ধবিমান দিয়েছে। এ ছাড়া ৫০০ কিলোমিটার পাল্লার ইস্কান্দার-এম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দেওয়া হয়েছে। পারমাণবিক অস্ত্র দিয়েছে, যেগুলো ইউক্রেন সীমান্ত থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে আসিপোভিচি ঘাঁটিতে রাখা হয়েছে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে বড় হামলা শুরু করে রাশিয়া। এর কয়েক দিন পর বেলারুশে একটি গণভোট হয়। এর মাধ্যমে লুকাশেঙ্কো সংবিধান সংশোধন করেন। এর মাধ্যমে বেলারুশে পারমাণবিক অস্ত্র রাখার অনুমতি দেওয়া হয়।
‘ট্যাকটিক্যাল’ পারমাণবিক অস্ত্র কথাটি সাধারণত এমন সব অস্ত্রের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, যেগুলো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার পর বিস্ফোরণজনিত তেজস্ক্রিয়তা বেশি দূর পর্যন্ত ছড়াবে না ও তুলনামূলকভাবে কম প্রাণহানি ঘটবে। অন্যদিকে ‘স্ট্র্যাটেজিক’ পারমাণবিক অস্ত্রের (থার্মোনিউক্লিয়ার/হাইড্রোজেন বোমা) রয়েছে ব্যাপক পরিসরে অকল্পনীয় ধ্বংসক্ষমতা।




