
ওয়াশিংটন ডিসি, ১ সেপ্টেম্বর – যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের পাশে রয়েছে এবং যেকোনো প্রয়োজনে সহায়তা দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ আলড্রিচ।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত এক স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন। দূতাবাস থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সারাহ আলড্রিচ গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র জনতার আত্মত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
তিনি বলেন যে বাংলাদেশে এখন একটি নির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনা করছে এবং দেশ সঠিক পথেই রয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন করায় তিনি প্রশংসা করেন। তিনি আরও যোগ করেন যে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আগের চেয়ে অনেক বেশি সুদৃঢ় হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে এই অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করতে আগ্রহী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি আটলান্টিক কাউন্সিলের সিনিয়র ফেলো মাইকেল কুগেলম্যান বলেন যে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের এই গণআন্দোলন সারা বিশ্বের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আলোচনা সভার শুরুতে শহীদদের স্মরণে নীরবতা পালন করা হয় এবং জুলাই আন্দোলন নিয়ে নির্মিত তথ্যচিত্র জুলাইকন্যা প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন এবং রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম তার বক্তব্যে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
এস এম/ ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সারাহ আলড্রিচ কে?
সারাহ আলড্রিচ মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর একজন কর্মকর্তা। ২০২৬ সালের আগস্টে তাঁকে ওই ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সারাহ আলড্রিচ বাংলাদেশ নিয়ে কী বলেছেন?
তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারের পাশে রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে সহায়তা দিতে প্রস্তুত।
এই বক্তব্য কোথায় দেওয়া হয়েছে?
২৮ আগস্ট ২০২৬ ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় তিনি বক্তব্য দেন।
বাংলাদেশে বর্তমান নির্বাচিত সরকার কবে দায়িত্ব নেয়?
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে সরকার গঠন করেন।
অনুষ্ঠানে মাইকেল কুগেলম্যান কী বলেছিলেন?
তিনি বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের জুলাই গণআন্দোলনের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এর আন্তর্জাতিক তাৎপর্যের কথা বলেন।


