সরকার চাইলে অল্প সময়েই দেশের আন্তসীমান্ত নদীগুলোর নির্ভুল তালিকা তৈরি করতে পারে। এ জন্য সীমান্তবর্তী প্রতিটি মৌজা সরেজমিন পরিদর্শন করে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদীগুলো চিহ্নিত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট মৌজার সিএস, এসএ ও বিএস রেকর্ডও দেখতে হবে। তাতে অতীতে কোনো নদী ছিল, যা এখন মরে গেছে, সেটিও জানা যাবে।
বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয় ১৯৭২ সালে। পরিবেশ ও পানিসম্পদ বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাত ১৯৮১ সালের ডিসেম্বর থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত কমিশনের অনারারি সদস্য ছিলেন। আন্তসীমান্ত নদীর হিসাবের গরমিল নিয়ে এই নদীবিশেষজ্ঞ বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের অভিন্ন নদীর সংখ্যা ৫৪ নির্ধারণের সময় সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়নি; হয়ে থাকলেও তা যথাযথ ছিল না। তাঁর মতে, বিষয়টি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের কাছে উপস্থাপন করা প্রয়োজন। কিন্তু সরকারের দীর্ঘদিনের অবহেলায় সব আন্তসীমান্ত নদীকে দুই দেশের যৌথ তালিকায় আনা যায়নি। অথচ প্রতিটি আন্তসীমান্ত নদীর স্বীকৃতি জরুরি।
তুহিন ওয়াদুদ: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও নদী রক্ষাবিষয়ক সংগঠন রিভারাইন পিপলের পরিচালক




