বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতির চিঠি তাঁরা পেয়েছেন। কিন্তু গণশুনানি ছাড়া এসব খরচ সমন্বয়ের সুযোগ নেই। তাঁদের প্রস্তাব বিবেচনায় নিয়ে আগামী রোববার কমিশন সভায় আলোচনা করে করণীয় ঠিক করা হবে। তবে নতুন সিদ্ধান্তের আগপর্যন্ত তাঁরা যাতে নির্ধারিত দামে বিক্রি করেন, তা নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। ওই সময় সিলিন্ডারপ্রতি পরিবেশকদের কমিশন ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এখন পরিবেশকেরা এটি বাড়ানোর দাবি করছেন। যদিও অভিযোগ আছে, বাজারে নির্ধারিত দামে বিক্রি হয় না। মাঝেমধ্যেই সরবরাহ সংকটের নামে এটি অনেক বেড়ে যায়। বাড়তি দাম দিয়েও এলপিজি পায় না ভোক্তা।
মিরপুরের শেওড়াপাড়ার বাসিন্দা তামান্না আখতার গতকাল বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে বলেন, গত বুধবার ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার বাসায় পৌঁছে দিয়ে গেছে, দাম নিয়েছে ২ হাজার ৫০০ টাকা; যা সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৬৬৩ টাকা বেশি।




