মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আবুল বাশার খান, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক খোকন হোসেন, অ্যাগ্রো ফরেস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক মাছুদুর রহমান, অ্যানিমেল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক মো. শাহবুবুল আলম, কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক আতিকুর রহমান, খামার তত্ত্বাবধায়ক আরিফুল ইসলাম, সেকশন অফিসার শাহাদৎ হোসেন, সহ–উপাচার্য কার্যালয়ের সেকশন অফিসার কাজী কাইয়ুম, ডেপুটি রেজিস্ট্রার আবু বকর সিদ্দিক, অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক জসীম উদ্দিন, প্রকৌশল বিভাগের সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়, ৫ মে মামলার ১ নম্বর সাক্ষী আইয়ুব আলী (৪০) নিজের ভ্যান নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ব পাশের ফটকে অবস্থান করছিলেন। তখন আসামিরা তাঁকে ওই স্থান ত্যাগ করার নির্দেশ দেন। তিনি দ্রুত স্থান ত্যাগ না করে কিছুটা দেরি করলে আসামিরা তাঁকে ক্যাম্পাসের ভেতরে নিয়ে দেশি অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কিলঘুষি ও বেধড়ক পিটিয়ে জখম করেন। পরে তাঁর ভ্যানে থাকা ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা মূল্যের মুদি ও মনিহারি মালামাল লুট করেন।




